

এবার ভোটার তালিকা বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর শুনানি-নোটিস পেলেন ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের একমাত্র বিধায়ক তথা সংগঠনের চেয়ারম্যান নওশাদ সিদ্দিকী (Naushad Siddiqui)। নোটিস পেয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী তাজমুল হোসেনও। আগামী ২৭ জানুয়ারি ভাঙড়ের জাঙ্গিপাড়া বিডিও অফিসে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে নওশাদ সিদ্দিকীকে। অন্যদিকে ২৯ জানুয়ারি হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকায় সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে মন্ত্রী তাজমুল হোসেনকে।
নোটিস পাওয়া প্রসঙ্গে ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী বলেন, ‘’হিয়ারিং-এর নোটিস পেয়েছি, তবে এতে আমি আতঙ্কিত নই। আমার ভোটদানের অধিকার কারুর অভিশাপ-আশীর্বাদের উপর নির্ভর করে না। ভোটদানের অধিকার সংবিধানের ৩২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী থাকবে।‘’
অন্যদিকে এসআইআর-এর নোটিস পেয়ে বেশ অবাক মন্ত্রী তাজমুল। তাঁর প্রশ্ন, ‘‘যে নির্বাচন কমিশন দ্বারা আমি তিন বারের নির্বাচিত বিধায়ক, এখন সেই নির্বাচন কমিশনই এসআইআরের নামে আমি বৈধ ভোটার কি না, তা যাচাই করবে?’’
২০২১ সালের নির্বাচনের আগে ফরওয়ার্ড ব্লক ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন তাজমুল হোসেন। হরিশ্চন্দ্রপুর থেকে লড়ে বিধায়ক হন। এর আগে দু’বার এই হরিশ্চন্দ্রপুর থেকেই বিধায়ক হয়েছিলেন তিনি, বামফ্রন্টের শরিক ফরওয়ার্ড ব্লকের টিকিটে, ২০০৬ সালে এবং ২০১১ সালে। এরপর ২০১৬ সালেও প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি, কিন্তু কংগ্রেসের মোস্তাক আলমের কাছে পরাজিত হন। এই মুহূর্তে ক্ষুদ্র কুটির শিল্প দপ্তর এবং সংখ্যালঘু উন্নয়ন দপ্তর – দুই দপ্তরের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।
এসআইআর-এর (SIR West Bengal) শুনানিতে সাধারণ মানুষদের পাশাপাশি একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিদের হাজিরার জন্য নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই তালিকায় অমর্ত্য সেন থেকে শুরু করে ঘাটালের তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেতা দেব, ক্রিকেটার মহম্মদ শামি, প্রাক্তন ক্রিকেটার লক্ষ্মীরতন শুক্লা, মোহনবাগান রত্ন টুটু বসু, মথুরাপুরের তৃণমূল সাংসদ বাপি হালদার, কবি জয় গোস্বামী, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর প্রপৌত্র চন্দ্র বসুর নাম রয়েছে। অভিনেতা দেব, লক্ষ্মীরতন শুক্লা, অমর্ত্য সেনের এসআইআরের শুনানি প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার এসআইআরে শুনানির নোটিস ধরানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়কেও।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন