

সম্ভবত চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে অথবা আগামী সপ্তাহের গোড়ায় ঘোষিত হতে পারে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। গত শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআর-এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকার প্রথম পর্যায়ের প্রকাশের পর রাজ্যে নির্বাচনী প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে আজই বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন। আজকের বৈঠকে কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকরা ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন রাজ্য প্রশাসনের বেশ কিছু শীর্ষ আধিকারিক।
নির্বাচন কমিশন সূত্র অনুসারে, রাজ্যে দোল এবং হোলি মিটে যাবার পরেই কমিশনের ফুল বেঞ্চ রাজ্য সফরে আসবে। তাঁরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা সেরে নেবার পরেই ঘোষিত হতে পারে ভোটের দিনক্ষণ। যদিও অন্য একটি মহলের দাবি, বিজেপির রথযাত্রা শেষ হবার কথা ব্রিগেড প্যারেড ময়দানে। সেই সভায় উপস্থিত থাকবার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। ১০ মার্চ সেই সভার পরেই রাজ্যে নির্বাচন ঘোষণা করবে কমিশন।
জানা গেছে, রবিবার কমিশনের সচিবের চিঠি এসেছে রাজ্যের নির্বাচন কমিশনের সিইও-র কাছে। যে চিঠিতে জানানো হয়েছে, সোমবার এবং মঙ্গলবার দিনভর কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকরা বৈঠক করবেন। রাজ্যের নির্বাচন আধিকারিক, প্রশাসনিক আধিকারিকদের এই বৈঠকে ভার্চুয়ালি যোগ দেবের দিল্লির নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকরা। এরপর কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকদের ফুল বেঞ্চ রাজ্য সফরে আসবেন প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে। সেক্ষেত্রে কমিশনের নিজস্ব সব প্রস্তুতি দেখে নেওয়া এবং ১০ মার্চ মঙ্গলবার বিজেপির সমাবেশের পরেই নির্বাচন ঘোষণার সম্ভাবনা।
সাধারণভাবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পরেই নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হলেও তা এখনও সম্পূর্ণ নয়। কমিশন জানিয়েছে, বাকি কাজ যেমন যেমন শেষ হবে সেই অনুযায়ী দফায় দফায় চূড়ান্ত তালিকার বাকি অংশ প্রকাশিত হবে। কারণ এখনও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটার। যাদের এখনও চূড়ান্ত তালিকায় যুক্ত হয়নি। যে যে নাম এখনও ‘বিচারাধীন’ রয়েছে তা নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্তে পৌঁছতে চাইছে কমিশন।
আজ সোমবার সকাল ১১ টা থেকে বৈঠক শুরু। প্রথম ধাপে কমিশনার, আইজি, ডিআইজি, জেলাশাসক (ডিইও) এবং জেলার পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করবে কমিশন। এরপর দ্বিতীয় ধাপে ফের আইজি, ডিআইজি এবং পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক হবে। মঙ্গলবার দুই দফায় সিইও, এনফোরসমেন্ট এজেন্সি, নারকোটিক্স ব্যুরো, ইডি, রাজ্য পুলিসের নোডাল অফিসার সহ একাধিক শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক হবে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন