

সিপিআইএম, আইএসএফ-এর সঙ্গে জোট করছেন না হুমায়ুন কবীর। সোমবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে ভরতপুরের বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়ক নিজেই একথা জানালেন। শুধু তাই নয়, সিপিআইএম-কে কটাক্ষ করে বলেছেন, ‘শূন্যে আছে, আরও মহাশূন্যে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করব ওদের।‘
গত মাসেই নিউটাউনের একটি হোটেলে ‘জনতা উন্নয়ন পার্টি’-র প্রধান হুমায়ুন কবীরের সাথে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেন সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। এরপর থেকেই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বামেদের সাথে হুমায়ুনের জোট নিয়ে জল্পনা শুরু হয় রাজনৈতিক মহলে। কিন্তু সোমবার হুমায়ুন নিজেই জানালেন সিপিআইএম-এর সাথে জোটে যাচ্ছে না তাঁর দল।
কলকাতায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে জেইউপি প্রধান জানান, “সিপিআইএম এবং তার শরিক দলগুলো, আমি শুনেছি আরকি, যে পরিমাণ সিট ডিমান্ড করছে, এমনকি আইএসএফ-ও যে সংখ্যা ডিমান্ড করছে, আমি তাঁদের সঙ্গে জোট করব না। আমার জনতা উন্নয়ন পার্টি ছোট ছোট আরও সাত আটটা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট করবে। ২৫ তারিখের মধ্যে, আমাদের কে কোথায় লড়বে, আমি কত সিটে লড়ব, মিম কত সিটে লড়বে, কারা কোথায় লড়বে, সবাইকে জানিয়ে দেব।“
হুমায়ুন বলেন, “সিপিআইএম যে আস্ফালন করছে, শূন্যে আছে, আরও মহাশূন্যে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করব ওদের। সিপিআইএম-এর সাথে জোট না।“
সিপিআইএম-কে কটাক্ষ করে বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা আরও বলেন, “সিপিআইএম যে আস্ফালন করছে, শূন্যে আছে, আরও মহাশূন্যে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করব ওদের। সিপিআইএম-এর সাথে জোট না।“
সেলিমের সঙ্গে দ্বিতীয় কোনও বৈঠক হবে কি না সেই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “মহম্মদ সেলিমকে চারিদিক থেকে কাঁকড়া ধরার মতো করে ধরছে ওদের শরিকদল গুলো। যাদের আজকের দিনে পতাকা ধরার লোক নেই, ফরওয়ার্ড ব্লক, আরএসপি, সিপিআই – এই দলগুলো বলছে ২০ টা করে সিট দিতে হবে। একটা সিটে আরএসপি ৫ শতাংশ ভোট পেয়ে দেখাক, তাদের সামনে মাথা নত করবো আমি।“
এদিন ফের একবার লোকসভা নির্বাচনে অধীর চৌধুরীকে হারানো নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন হুমায়ুন। তিনি বলেন, “গত লোকসভা নির্বাচনে বহরমপুর কেন্দ্র থেকে পাঁচবারের সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরীকে আমাদের হারানো ভুল হয়েছে। এর জন্য আজ বহরমপুরের মানুষ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। আগামী লোকসভায় বহরমপুর থেকে অধীররঞ্জন চৌধুরীকে চৌধুরীকে জেতাতে আমি সর্বশক্তি প্রয়োগ করব। ইউসুফ পাঠানকে গোহারা হারাব বহরমপুর থেকে।”
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন