TMC: কাজ করার সুযোগ না থাকায় তৃণমূল ছাড়লেন মানস ভুঁইয়া, ছাড়ছেন না রাজনীতি

People's Reporter: নির্বাচনী ফল প্রকাশের পরেই তিনি তৃণমূলের কড়া সমালোচনা করেছিলেন। একই সঙ্গে তাঁর মুখ থেকে শোনা গেছিল শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসাও। এবার কি তবে বিজেপির পথে মানস ভুঁইয়া?
মানস ভুঁইয়া
মানস ভুঁইয়াফাইল ছবি, ফেসবুক থেকে সংগৃহীত
Published on

তৃণমূল ছাড়লেন সবং-এর প্রাক্তন বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া। তবে তৃণমূল ছাড়লেও রাজনীতি ছাড়ছেন না বলেই জানিয়েছেন বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ। এবারের ভোটের ফলাফলে নিজেরই প্রাক্তন অনুগামী অমল কুমার পান্ডার কাছে পরাজিত হবার পরেই তার মুখে প্রশংসা শোনা গেছিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। সমালোচনা করেছিলেন তৃণমূলের। এবার সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে তিনি তৃণমূল ছাড়ার কথা ঘোষণা করলেন।

শনিবার সন্ধ্যায় তৃণমূল ছাড়ার পর মানস ভুঁইয়া সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বর্তমানে তৃণমূলে থেকে কাজ করার সুযোগ নেই। তাই তৃণমূল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে রাজনীতি ও সমাজসেবা আমার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। তাই আমি রাজনীতি ছাড়ছি না। কী সিদ্ধান্ত নেব তা আগামীদিনে জানিয়ে দেব।

তবে মানস ভুঁইয়া প্রকাশ্যে কিছু না জানালেও নির্বাচনী ফল প্রকাশের পরেই তিনি তৃণমূলের কড়া সমালোচনা করেছিলেন। একই সঙ্গে তাঁর মুখ থেকে শোনা গেছিল শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসাও। রাজনৈতিক মহলের অনুমান, এবার বিজেপির পথে পা বাড়াতে পারেন ৭২ বছর বয়সী মানস ভুঁইয়া।

১৯৮২ সালে প্রথম সবং কেন্দ্র থেকে কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন মানস ভুঁইয়া। এরপর ১৯৮৭ এবং ১৯৯১-এর নির্বাচনেও তিনি জয়লাভ করেন। ১৯৯৬ এবং ২০০১-এর নির্বাচনে তিনি পরাজিত হলেও ২০০৬ সালে ফের কংগ্রেসের টিকিটে নির্বাচিত হন তিনি। এরপর ২০১১ এবং ২০১৬-র নির্বাচনেও তিনি কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবেই সবং কেন্দ্র থেকে জয়ী হন। এরপর তৃণমূলে যোগ দিয়ে তিনি রাজ্যসভার সাংসদ হন। সবং কেন্দ্রের উপনির্বাচনে জয়ী হন তাঁর স্ত্রী গীতা রানী ভুঁইয়া। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে ফের সবং কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি বিধায়ক এবং রাজ্যের মন্ত্রী হন। যদিও ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে তিনি ১১ হাজার ১৩৬ ভোটে পরাজিত হয়েছেন।   

মানস ভুঁইয়া
WB Election 21: দলীয় কর্মীকে সপাটে চড়, প্রচারে বেরিয়ে মেজাজ হারালেন মানস ভুঁইয়া
মানস ভুঁইয়া
TMC: আরও ভাঙলো তৃণমূল, বিদ্রোহী শতাব্দী রায়ের সঙ্গে ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in