"এবার মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসের জালে বল ঢুকিয়ে দেবেন। সমস্ত ভাবাভাবির দিন শেষ। মানুষ মে মাসে নতুন সরকার দেখতে পাবে। আমরা রাইটার্স বিল্ডিং থেকে সরকার পরিচালনা করবো।" রবিবার রাজ্যে ভোট ঘোষণার পরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য একথা বলেন। এদিন তিনি বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ বর্তমান সরকারকে বিসর্জন দেবার জন্য প্রস্তুত।
কমিশনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা যেরকম ঘোষণা করেছি, ফল ঘোষণার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সপ্তম পে কমিশনের কাজ শুরু হবে। পরিস্থিতির বাধ্যবাধকতায় যারা পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে গেছেন তাঁরা এক বছরের মধ্যে ফেরত আসবেন। আমরা ভারী শিল্পের ব্যবস্থা করবো। মেধার মর্যাদা দিয়ে নিয়োগ শুরু হবে।
তৃণমূল সরকারের দুর্নীতি প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, এই সরকারের দুর্নীতির জন্য যারা বঞ্চিত হয়েছেন তাঁদের বিষয়টি বিশেষ নজর দিয়ে দেখা হবে। মানুষের জল জমি জঙ্গল কেড়ে নেবার যে ব্যবস্থা এই রাজ্যে তৈরি হয়েছে সরকারে আসার সঙ্গে সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন শৃঙ্খলার শাসন প্রতিষ্ঠা হবে। সারা পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্র সমস্ত মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আমরা সরকার চালাবো। যারা ঘৃণা ছড়ানোর চেষ্টা করবেন তাঁদের সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হবে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সব রাজ্যে এক দফা, এ রাজ্যে দু’দফা। এটা পশ্চিমবঙ্গের জন্য লজ্জা। তবে আমরা কমিশনের এই সিদ্ধান্তে স্বাগত জানাচ্ছি এবং আবারও বলছি নো এসআইআর, নো ভোট। কমিশনের ওপর আমাদের আস্থা আছে।
তৃণমূল প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, তৃণমূল এতদিন ধরে অনেক কথা বলেছে। এবার একটু চুপ করুক। আমাদের মনে হচ্ছে মানুষই এবার তৃণমূলের মুখ আটকে দেবে। ভাতা দিয়ে এবার তৃণমূল নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে পারবে না। এত কিছুর পরেও তো আমরা পঞ্চায়েত নির্বাচনে ১১ হাজারের বেশি আসনে জয়ী হয়েছিলাম।
তিনি বলেন, বিভাজনের রাজনীতি দিয়ে, হিংসা দিয়ে, একটা সম্প্রদায়কে অন্য সম্প্রদায়ের দিকে লেলিয়ে দিয়ে যারা নির্বাচন করতে চলেছেন মানুষ এক সেকেন্ডে তাঁদের ফলাফল বুঝিয়ে দেবেন। তৃণমূল কংগ্রেসকে যেটা করার সেটা মানুষ করে দেবে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন