

আজই পশ্চিমবঙ্গে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষিত হবে। নির্বাচন ঘোষিত হলেই সরকারিভাবে ভোটের ঢাকে কাঠি পড়বে এবং শুরু হবে প্রার্থী ঘোষণা। সূত্র অনুসারে রাজ্যের প্রধান তিন শক্তিরই প্রার্থী তালিকা প্রায় চূড়ান্ত। নির্বাচন ঘোষণার পরেই সবার প্রথম প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে পারে তৃণমূল। এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে বর্তমান বিধায়কদের প্রায় অর্ধেকই বাদ যেতে চলেছেন তৃণমূলের তালিকা থেকে। সেইসব জায়গায় আনা হচ্ছে বেশ কিছু নতুন মুখ। সদ্য সিপিআইএম থেকে তৃণমূলে যোগ দেওয়া প্রতীক উর রহমানও প্রার্থী হতে চলেছেন।
জানা গেছে, রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রায় প্রস্তুত। যে তালিকায় অন্যান্যবারের মতই থাকতে চলেছে বেশ কিছু চমক। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের দৌলতে বেশ কিছু নাম ভেসে বেড়াচ্ছে। যার মধ্যে সঙ্গীতশিল্পী, অভিনেতা, ক্রীড়াবিদ সকলেই আছেন। যদিও সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয় তাতে এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় এবার বাদ যেতে চলেছেন বহু বিধায়ক এবং কয়েকজন মন্ত্রীও। বাদ পড়ার সংখ্যাটা এতটাই বেশি যে প্রার্থীপদ ঘোষণার পর যা নিয়ে কতটা জল ঘোলা হবে তা সময় বলবে।
এখনও পর্যন্ত যা শোনা যাচ্ছে তাতে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় থাকতে চলেছেন সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সম্ভবত যাদবপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হবেন। এছাড়াও আরও অন্তত দু’জন সাংসদ এবার তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় থাকতে পারেন। এবার প্রার্থী তালিকায় থাকছেন তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য, দেবাংশু ভট্টাচার্যরা। থাকতে পারেন কুণাল ঘোষ, অরূপ চক্রবর্তীরা। এছাড়াও মনোনয়ন পেতে চলেছেন সদ্য দলে যোগ দেওয়া স্বপ্না বর্মণ। এবারেও মনোনয়ন পেতে চলেছেন বেচারাম মান্না। তবে হুগলি জেলার অন্য প্রার্থী স্বাতী খোন্দকারকে সম্ভবত এবার মনোনয়ন দিচ্ছে না তৃণমূল।
মনোনয়ন না পাওয়া প্রায় নিশ্চিত পার্থ চট্টোপাধ্যায়, রুকবানুর রহমান, ফিরোজা বিবি, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়দের। লাভলী মৈত্রর মনোনয়ন নিশ্চিত নয়। তবে মদন মিত্র হয়তো এবারেও মনোনয়ন পাচ্ছেন। মনোনয়ন পাচ্ছেন না কাঞ্চন মল্লিক, মনোরঞ্জন ব্যাপারী, তপন দাসগুপ্ত, মানস মজুমদার, সন্ধ্যারাণী টুডু, মণিরুল ইসলাম এবং সাবিনা ইয়াসমিনেরা। এবার সম্ভবত মনোনয়ন পেতে চলেছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী, তৃণমূল থেকে গত নির্বাচনের আগে বিজেপিতে গিয়ে ফের তৃণমূলে ফেরা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন