

তৃণমূল ‘ঋ’ শিবিরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন তৃণমূল ‘ম’ শিবিরের নেত্রী দোলা সেন। তৃণমূল মমতা শিবিরের এই রাজ্যসভা সাংসদ শনিবার কালীঘাট এবং নিউটাউন থানা সহ মোট চারটি থানায় অভিযোগ দায়ের করে দাবি জানিয়েছেন, দলের নাম, প্রতীক ভাঁড়িয়ে দলীয় কর্মীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন তৃণমূল শিবির। অভিযোগে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও নাম আছে জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা, অরূপ রায়, বিপ্লব মিত্র প্রমুখের।
মমতা পন্থী তৃণমূলের দায়ের করা এই অভিযোগ প্রসঙ্গে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, অভিযোগ যে কেউ জানাতে পারেন। আইন আর নির্বাচন কমিশনের ওপর ভরসা থাকুক।
গত সোমবার ২২ জুন নিউটাউনের এক হোটেলে বৈঠকে বসেছিল ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল। সেই বিশেষ অধিবেশন থেকেই ভেঙে দেওয়া দলের জাতীয় কর্মসমিতি এবং নতুন জাতীয় কর্মসমিতি গঠিত হয়। যে কর্মসমিতি থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয় খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই। সাসপেন্ড করা হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। তৃণমূলের ঋতব্রত শিবিরের এই বৈঠককে ‘অবৈধ’ বলে দাবি করেছেন মমতাপন্থী তৃণমূল নেত্রী দোলা সেন।
থানায় দায়ের করা অভিযোগে মমতাপন্থী তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক বলে দাবি করেছেন। যদিও তাঁকে এই ধরণের কোনও পদ দেওয়া হয়নি। দলের কর্মী সমর্থকদের বিভ্রান্ত করতেই তৃণমূলের ‘ঋ’ শিবির এইধরনের কাজ করছে বলেও অভিযোগ তৃণমূল ‘ম’ শিবিরের।
দোলা সেনের আরও অভিযোগ, দলের নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে অবৈধ কাজ করছে তৃণমূলের ঋতব্রত শিবির। পুলিশ পুরো বিষয়টি পুঙ্খানুপুঙ্খ স্বচ্ছ এবং সবিস্তার তদন্ত করুক এবং পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখুক।
রাজ্যে নির্বাচনী পরাজয়ের পর থেকে চরম ডামাডোল চলছে তৃণমূল শিবিরে। এই মুহূর্তে তৃণমূল শিবির তিন টুকরো হয়ে গেছে। দলের লোকসভা সাংসদদের বড়ো অংশ যোগ দিয়েছেন এনসিপিআই-তে। দলীয় বিধায়কদের সিংহভাগ যোগ দিয়েছেন ঋতব্রত শিবিরে। অন্যদিকে হাতে গোনা কয়েকজন বিধায়ক এবং সাংসদ এখনও টিকে আছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরে। চরম বিতর্ক চলছে দলের নাম, প্রতীক, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট প্রভৃতি নিয়ে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন