

সিপিআইএম সহ সমস্ত বিরোধী দলগুলির দাবিকেই মান্যতা দিতে চলেছে নির্বাচন কমিশন! পশ্চিমবঙ্গে দু’দফাতেই বিধানসভা নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন। সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে উদ্ধৃত করে বৃহস্পতিবার একথা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের এক ঊর্ধ্বতন আধিকারিক।
তিনি আরও জানান, নয়াদিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে আরও এক দফা বৈঠকের পর এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
পশ্চিমবঙ্গে এক দফায় ভোটগ্রহণ হবে কিনা জানতে চাইলে সংবাদসংস্থাকে আধিকারিক জানান, “আমরা ২০২৪ সালে ২৮৮ আসন বিশিষ্ট মহারাষ্ট্রে এক দফায় বিধানসভা নির্বাচন পরিচালনা করেছি। পশ্চিমবঙ্গে এক দফায় নির্বাচন পরিচালনা করা অসম্ভব কাজ নয়, তবে এবার তা সম্ভব নয়। ২৯৪ আসন বিশিষ্ট পশ্চিমবঙ্গে দুই দফায় বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। আগামী মাস থেকেই তা অনুষ্ঠিত হতে পারে।“
ওই আধিকারিক আরও জানান, ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়া রাজ্যের অন্যান্য দলগুলি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সাথে তাদের সাম্প্রতিক বৈঠকে এক বা দুই দফাতেই নির্বাচন করার দাবি জানিয়েছিল। নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তাসহ অন্যান্য কর্মকর্তারাও একই পরামর্শ দিয়েছেন।
তিনি জানান, “পশ্চিমবঙ্গে দুই ধাপে বিধানসভা নির্বাচন হলে দুর্বৃত্তরা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় গিয়ে অশান্তি সৃষ্টি করার সময় পাবে না। নির্বাচন-সম্পর্কিত হিংসা রোধ করা যাবে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এই বিষয়টি নিয়ে আরও বিবেচনা করা হবে।“
সোমবার কলকাতায় এসে স্বীকৃত রাজনৈতিক দলগুলির সাথে পৃথক পৃথকভাবে বৈঠক করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। এই বৈঠকে সিপিআইএম, বিজেপি, কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা এক থেকে দু দফায় নির্বাচন করার দাবি জানিয়েছেন। তৃণমূলের প্রতিনিধিরা বৈঠকে এই বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন