সিকিমের নামচিতে সুড়ঙ্গ ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২০। এখনও ওই সুড়ঙ্গের ভেতর ৫ জন শ্রমিক আটকে রয়েছেন বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার পর ২ জন শ্রমিক সুড়ঙ্গ থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছিলেন। বাকিরা আটকা পড়েন সুড়ঙ্গের ভেতর। নিহত ২০ জনের মধ্যে এখনও পর্যন্ত ১৩ জনের দেহ শনাক্ত করা গেছে। যাঁদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার ৮ জন এবং আলিপুরদুয়ারের ২ জন শ্রমিক আছেন।
এখনও পর্যন্ত যে পাঁচজন নিখোঁজ আছেন তাদের মধ্যে কেরালার একজন ভূতত্ববিদ ৪৩ বছর বয়সী আনিশ মহাজন আছেন। তিনি এবং বাকি আরও ৪ শ্রমিকের সন্ধানে তল্লাশি চলছে। যদিও সুড়ঙ্গের ভেতর আবারও ধসের সম্ভাবনা থাকায় অত্যন্ত সাবধানতা সহকারে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।
সোমবার ২০ জুলাই সিকিমের নামচিতে এনএইচপিসি তিস্তা স্টেজ-সিক্স হাইড্রোলিক প্রোজেক্টে কাজ চলাকালীন এক বিস্ফোরণে আচমকাই সামারদুং টানেলে ধস নামে। যে ধসের কারণে সুড়ঙ্গের ভেতর আটকা পড়ে শ্রমিকরা। বিভিন্ন মহল থেকে জানানো হয়, কাজ চলাকালীন কোনোভাবে সুড়ঙ্গের ভেতরের পাহাড় থেকে মিথেন গ্যাস বেরোতে শুরু করে এবং সেই কারণেই বিস্ফোরণ হয়। যদিও সরকারি ভাবে এখনও বিস্ফোরণের কারণ জানানো হয়নি।
সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং জানিয়েছেন কেন এই দুর্ঘটনা ঘটলো তা খতিয়ে দেখতে এক সিট গঠন করা হবে। তিনি দুর্ঘটনাস্থলের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন এবং রাজ্য প্রশাসনের সব বিভাগকে দ্রুত উদ্ধারকাজ চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে নামচির জেলা কালেক্টর অনুপা তামলিঙ মঙ্গলবার জানিয়েছিলেন, আশঙ্কা করা হচ্ছে ২৭ জন শ্রমিক টানেলের ভেতর আটকা পড়েছেন। যদিও কত শ্রমিক টানেলের ভেতর কাজ করছিল তা স্পষ্ট করে জানাতে পারেনি সংশ্লিষ্ট সংস্থা। তাই ঠিক কতজন শ্রমিক আটকে আছেন তা সঠিকভাবে বলা সম্ভব হচ্ছে না। এই সংখ্যা বাড়তে পারে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন