

মহারাষ্ট্রের সমস্ত স্থানীয় নির্বাচনে একাই লড়বে উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা। শনিবার স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন শিবসেনা (ইউবিটি)-র রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় রাউত। আগামী ফেব্রুয়ারিতে হওয়া দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনেও 'ইন্ডিয়া' জোটের অন্যতম দুই শরিক কংগ্রেস এবং আপ পৃথকভাবে লড়াই করবে। তাহলে কি ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে 'ইন্ডিয়া' জোট? জাতীয় রাজনীতিতে এখন এই প্রশ্নটাই ঘোরা ফেরা করছে।
সঞ্জয় রাউত জানান, 'লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে ইন্ডিয়া জোট একসাথে লড়াই করলেও মুম্বই, থানে, নাগপুর ও অন্যান্য পৌরসভা, জেলা পরিষদ এবং পঞ্চায়েত নির্বাচনগুলিতে সেই জোট হবে না। একাই লড়বে শিবসেনা (ইউবিটি)। সেই শক্তি আমাদের আছে। জোট হলে দলের কর্মীরা সঠিক সুযোগ পাননা। ফলে সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়ে।'
রাউত আরও দাবি করেন, "ইন্ডিয়া জোট লোকসভা নির্বাচনের পর একটিও বৈঠক করেনি। আমরা আহ্বায়কও নিযুক্ত করতে পারিনি। এটি একটি বড় সমস্যা। কংগ্রেসের দায়িত্ব ছিল সভা আহ্বান করা।"
উল্লেখ্য, গত লোকসভা নির্বাচনে মহারাষ্ট্রে উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা, কংগ্রেস এবং শরদ পাওয়ারের এনসিপি জোট করে লড়াই করেছিল। রাজ্যের ৪৮টি আসনের মধ্যে ৩০টি জিতেছিল তারা। এরপর বিধানসভা নির্বাচনেও জোট হয়। কিন্তু সেখানে জোট ধরাশায়ী হয়। দেখা যায় ২৮৮ আসনের মধ্যে এনডিএ শিবির পায় ২৩৭টি আসন এবং ইন্ডিয়া জোট পায় মাত্র ৫১টি আসন।
প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে শেষবার বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নির্বাচন হয়েছিল। যেখানে ২২৭টি আসনের মধ্যে ৮৪টিতে জিতেছিল উদ্ধব নেতৃত্বাধীন অবিভক্ত শিবসেনা। ৮২টি আসন জেতে বিজেপি। কংগ্রেস জেতে ৩১টি এবং শরদ পাওয়ারের অবিভক্ত এনসিপি জেতে ৯টি আসনে। কিন্তু ২০১৯ সালে এনডিএ থেকে বেরিয়ে আসেন উদ্ধব। তারপর এনসিপি ও কংগ্রেসের সমর্থনে বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন চালাচ্ছে শিবসেনা (ইউবিটি)।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন