

সপ্তাহের কেনাবেচার প্রথম দিনেই আবারও ধস নামলো সেনসেক্সে। পাল্লা দিয়ে নেমেছে নিফটিও। এই খবর লেখার সময় দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে সেনসেক্স নেমেছে ১৮৪২.৪৫ পয়েন্ট। নিফটি নেমেছে ৫৯৫.৩০ পয়েন্ট। পতন অব্যাহত রয়েছে মার্কিন ডলারের অনুপাতে ভারতীয় টাকার দামেও।
শুক্রবার বাজার বন্ধের সময় সেনসেক্স ছিল ৭৪,৫৩২.৯৬ পয়েন্টে। সোমবার বাজার খোলার সময় সেনসেক্স ছিল ৭৩,৭৩২.৫৮ পয়েন্ট। যা এখনও পর্যন্ত এদিনের ডে হাই। এরপর বাজার আরও পড়ে। সোমবার এখনও পর্যন্ত ডে লো ৭২,৫৬০.১৯ পয়েন্ট।
শুক্রবার নিফটি ৫০ বন্ধের সময় ছিল ২৩,১১৪.৫০ পয়েন্টে। যা সোমবার খোলার সময় নেমে যায় ২২,৮২৪.৩৫ পয়েন্টে। নিফটি ৫০-তে এদিন এখনও পর্যন্ত ডে হাই ২২,৮৫১.৭০ পয়েন্ট এবং ডে লো ২২,৪৭৮.১৫ পয়েন্ট।
উল্লেখযোগ্যভাবে আদানি এন্টারপ্রাইজের শেয়ারের দাম এই মুহূর্তে পৌঁছেছে ৫২ সপ্তাহের সর্বনিম্ন স্তরে। আজ আদানি এন্টারপ্রাইজের শেয়ারের দাম নেমেছে ৯৯ টাকা ৪০ পয়সা। এখনও পর্যন্ত আদানি এন্টারপ্রাইজের শেয়ারের ইন্ট্রা ডে হাই ১,৯১২.০৫ এবং ইন্ট্রা ডে লো ১,৮২৬.১৫।
যুক্তরাষ্ট্র-ইজরায়েল ও ইরানের সংঘাতের জেরে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ বেড়ে চলায়, বড়ো থেকে ছোটো —সব ধরনের শেয়ারেই ব্যাপক বিক্রির চাপ (sell-off) তীব্র আকার ধারণ করায় শুক্রবার বাজার শেষে বিএসই (BSE)-তে তালিকাভুক্ত সব কোম্পানির সম্মিলিত বাজার মূলধন ১৩.৪৬ ট্রিলিয়ন টাকা থেকে কমে ৪২৮.৭৬ ট্রিলিয়ন টাকা থেকে ৪১৫.৩০ ট্রিলিয়ন টাকায় নেমে এসেছে।
বাজারের এই আবহে ব্যাপক পতন হয়েছে সোনা ও রূপার দামে। MCX-এর মে মাসের মেয়াদোত্তীর্ণ রূপার ফিউচার ৮.৯ শতাংশ কমে প্রতি কেজি ২,০৬,৪২৮ টাকার স্তরে নেমে এসেছে। অন্যদিকে, এপ্রিল মাসের সরবরাহের জন্য সোনার ফিউচার ৬ শতাংশেরও বেশি কমে প্রতি ১০ গ্রামে ১,৩৫,১০০ টাকায় দাঁড়িয়েছে।
সোমবার এখন পর্যন্ত ভারতীয় টাকার দাম সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তরে আছে। আমেরিকান ডলারের অনুপাতে এই মুহূর্তে ভারতীয় টাকার দাম ৯৩ টাকা ৯৫ পয়সা।
সোমবার সেনসেক্সে সব থেকে ক্ষতির মুখে পড়েছে ইন্ডিগো, আলট্রাটেক সিমেন্ট, আদানি এন্টারপ্রাইজেস, জিও ফিনান্স, জেএসডব্লু স্টিল, বেল, টাইটান, টরেন্ট, এইচডিএফসি লাইফ, টাটা স্টিল, আদানি পোর্টস, বাজাজ ফিনান্স, এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, হিন্দালকো প্রভৃতি শেয়ারের দাম।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন