

সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক সংক্রান্ত ইডি-র দায়ের করা মামলার শুনানি। আগামী মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি এই মামলার শুনানি হবে। আজ বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র এবং বিচারপতি এনভি অঞ্জরিয়ার বেঞ্চে শুনানি ছিল এই মামলার।
সোমবার রাতে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা জমা দেয় রাজ্য সরকার। হলফনামায় জানানো হয়, ইডি-র তল্লাশিতে বাধা দেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইডি-র অনুমতি নিয়েই পার্টি সংক্রান্ত নথি নিয়ে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের বক্তব্য, যে ভাবে তল্লাশি চালানো হয়েছে, সে ভাবে তল্লাশি চালানো যেতে পারে না। কেন আইপ্যাককে কোনও আগাম নোটিস দেওয়া হয়নি, হলফনামায় সে প্রশ্ন তুলেছে রাজ্যের তৃণমূল সরকার।
রাজ্যের আরও বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টে এই মামলা দায়ের করার কোনও মৌলিক অধিকার নেই ইডির। মামলা খারিজেরও আবেদন করা হয়েছে হলফনামায়।
মঙ্গলবার শুনানি শুরু হতেই ইডি-র তরফ থেকে সুপ্রিম কোর্টে উপস্থিত কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আবেদন করেন, রাজ্যের দেওয়া হলফনামা খতিয়ে দেখার সময় দেওয়া হোক তাদের। ইডি-ও পাল্টা হলফনামা দিতে চায়। শুনানির দিন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করেন তিনি। এই নিয়ে রাজ্য সরকারের মত জানতে চায় বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র এবং বিচারপতি এনভি অঞ্জরিয়ার বেঞ্চ। রাজ্য রাজি হওয়ায় শুনানি পিছিয়ে দেওয়া হয়। ইডি-কে হলফনামা দেওয়ার জন্য এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি।
উল্লেখ্য, গত ৮ জানুয়ারি সকালে কয়লা পাচার সংক্রান্ত একটি মামলার সূত্রে সল্টলেকে আইপ্যাক-এর সদর দফতর এবং সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৃথকভাবে দুটি তল্লাশি অভিযান চালায় ইডি। ইডির তল্লাশি চলাকালীনই প্রথমে প্রতীক জৈনের বাড়িতে গিয়ে নথিপত্র, ফাইল এবং ল্যাপটপ নিয়ে আসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এরপর আইপ্যাক-এর সদর দফতরে গিয়েও একই কাজ করেন তিনি। তদন্তে বাধা পাওয়ার অভিযোগ তুলে সে দিনই কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল ইডি। সেই জল পরে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সংবিধানের ৩২ নম্বর ধারায় (সাংবিধানিক প্রতিবিধান সংক্রান্ত মৌলিক অধিকার) অভিযোগ এনেছে ইডি।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন