

আজ দেশজুড়ে ব্যাংক ধর্মঘট। বড় প্রভাব পড়ল রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিতে। সকাল থেকে রাজ্যের একাধিক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের দরজা বন্ধ রয়েছে। চরম ভোগান্তিতে আমজনতা। একাধিক জায়গায় বন্ধ এটিএম-ও। কোথাও কোথাও আবার টাকা নেই এটিএম-এ।
নেতাজীর জন্মদিন, মাসের চতুর্থ শনিবার, রবিবারের সাপ্তাহিক ছুটি, প্রজাতন্ত্র দিবসের ছুটি – টানা চারদিন এমনিতেই বন্ধ ছিল ব্যাংক। এর উপর আজ, মঙ্গলবার, দেশজুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন কর্মচারীরা। অর্থাৎ টানা পাঁচদিন খোলেনি ব্যাঙ্কের দরজা।
উল্লেখ্য, ৯টি ব্যাঙ্ক ইউনিয়নের যৌথ মঞ্চ ‘ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাঙ্ক ইউনিয়ন’ (UFBU) এই ধর্মঘট ডেকেছে। মূলত সপ্তাহে ৫ দিন কাজের দিনের দাবিতে এই ধর্মঘট ডাকা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এই দাবি জানিয়ে আসছেন ব্যাঙ্ক কর্মীরা। আইবিএ (Indian Banks’ Association) অনেক আগেই এই দাবি মেনে নিয়েছে। কিন্তু বর্তমানে এটি অর্থমন্ত্রকের আওতায় ঝুলে রয়েছে। ২৩ জানুয়ারি মুখ্য শ্রম কমিশনারের সঙ্গে ব্যাঙ্ক ইউনিয়নগুলির বৈঠক হয়। কিন্তু কোনও সমাধান সূত্র না মেলায়, ধর্মঘট ডেকেছে UFBU।
স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (SBI), পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক (PNB), ব্যাঙ্ক অফ বরোদা (Bank of Baroda)-র মতো রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিতে ধর্মঘটের সবথেকে বেশি পড়েছে। এসবিআই-এর পক্ষ থেকে গ্রাহকদের আগেই এই অসুবিধার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, ধর্মঘটের কারণে শাখাগুলিতে কাজকরম ব্যাহত হতে পারে। তবে তারা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার যথাসাধ্য চেষ্টা করবে।
ব্যাহত এটিএম পরিষেবাও। কলকাতার বিভিন্ন স্থানে এদিন সকাল থেকে এটিএম বন্ধ থাকতে দেখা গিয়েছে। বহু এটিএম-এ আবার টাকা ছিল না।
তবে বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলি যেমন HDFC, ICICI বা Axis ব্যাঙ্কের পরিষেবা স্বাভাবিক রয়েছে। গ্রাহকদের স্বস্তি দিতে সমস্ত ব্যাঙ্কের ডিজিটাল ও অনলাইন পরিষেবা চালু রয়েছে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন