

স্পেনের প্রাক্তন কিংবদন্তি জাভি হার্নান্ডেজের ভারতীয় কোচ হিসেবে আবেদন করার খবর নিয়ে রীতিমতো আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে ভারতীয় ফুটবল মহলে। বর্তমানে জানা যাচ্ছে ওই আবেদন নাকি জাভি করেননি। আবেদনের কোনও সত্যতাই খুঁজে পায়নি অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন (AIFF)।
এই বিতর্কিত ঘটনায় আরও নাটকীয় মোড় আসে শনিবার। দ্য টেলিগ্রাফ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, জাভির নাম ব্যবহার করে ভারতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচের পদে আবেদন করেন ১৯ বছর বয়সী এক কলেজ ছাত্র। জানা যায়, তিনি তামিলনাড়ুর ভেলোর ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির ছাত্র এবং আবেদনপত্র তৈরিতে ব্যবহার করেছেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (চ্যাট জিপিটি)।
প্রতিবেদনে ছাত্রটিকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, “তিনি চ্যাটজিপিটির উত্তর কপি-পেস্ট করে মেইল করেছিলেন। কোনো সিভি বা অন্য কিছু সংযুক্ত করেননি”।
এআইএফএফ ২৬ জুলাই একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানায়, তারা বেশ কিছু আবেদন পেয়েছিল, যার মধ্যে জাভি হার্নান্দেজ এবং বর্তমান ম্যানচেস্টার সিটি কোচ পেপ গার্দিওলার নামও ছিল। তবে ফেডারেশন পরিষ্কারভাবে জানিয়েছে, এসব আবেদন ভুয়ো এবং এগুলোর সত্যতা প্রমাণিত হয়নি।
ভারতীয় দলের নতুন কোচ বাছাই প্রক্রিয়া সম্পর্কে AIFF সভাপতি কল্যাণ চৌবে বলেন, “দেশ ও বিদেশ থেকে আসা ১৭০টি আবেদনের মধ্যে তিনজনকে বাছাই করা হয়েছে। আমাদের সংবিধান অনুযায়ী এরপর একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
সূত্রের খবর, এই তিনজন হলেন - খালিদ জামিল, স্টিফেন কনস্টানটাইন এবং স্টেফান টারকোভিচ। তিন জনের মধ্যে কোচের দৌড়ে এগিয়ে খালিদ জামিল। তার কারণ তিনি ভারতীয় এবং কোচ হিসেবে সফলও। মুম্বই এফসি ও আইজলকে আই লিগ চ্যাম্পিয়ন করা ছাড়াও জামশেদপুর এফসির মত কম বাজেটের দলকেও আইএসএলে সাফল্য এনে দিয়েছেন খালিদ।
অন্যদিকে, স্টিফেন কনস্টানটাইন ২০০২ থেকে ২০০৫ এবং ২০১৫-১৯ কার্যক্রমে ভারতের কোচ ছিলেন। তিনি ১৭৩ থেকে ভারতের র্যাঙ্কিং একসময়ে ৯৭-তে নিয়ে আসেন। এছাড়া পাকিস্তান, নেপাল, মালাউই, ইস্টবেঙ্গলে কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। টারকোভিচ কিরগিজস্থান, স্লোভাকিয়াতে কোচিং করিয়েছেন।
উল্লেখ্য, চলতি মাসের শুরুতেই মানোলো মার্কেজকে প্রধান কোচের পদ থেকে অব্যাহতি দেয় AIFF। তাঁর উত্তরসূরি কে হবেন, তা নিয়ে এখন নজর ফুটবল মহলের।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন