IPL 2025: ১৪ বছরেই ইতিহাস! পিতার আত্মত্যাগ আর ছেলের আগুনে ব্যাটিংয়ে নতুন অধ্যায়ের সূচনা

People's Reporter: বৈভবের পিতা সঞ্জীব বলেন, “সে শুধু আমাদের গ্রাম নয়, গোটা বিহার ও দেশকে গর্বিত করেছে। রাজস্থান রয়্যালস এবং কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”
বৈভবের বাবা ও মা
বৈভবের বাবা ও মাছবি - সংগৃহীত
Published on

কৃষিজমি বিক্রি, জীবিকা ত্যাগ -- এইসবই পিতার আত্মত্যাগের গল্প। আর সেই গল্পে নতুন রূপ দিলেন ১৪ বছরের বৈভব সূর্যবংশী। সোমবার রাতে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে মাত্র ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করে আইপিএল-এ সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরিয়ানের রেকর্ড গড়লেন।

বিহারের সমস্তিপুরের ছেলে বৈভবের এই কীর্তির পেছনে রয়েছেন তাঁর বাবা সঞ্জীব সূর্যবংশী। নিজে কৃষিজমি হারিয়েও ছেলের স্বপ্নকে বাস্তব করতে পিছপা হননি তিনি। বিহার ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন প্রকাশিত এক ভিডিওতে সঞ্জীব বলেন, “সে (বৈভব) শুধু আমাদের গ্রাম নয়, গোটা বিহার ও দেশকে গর্বিত করেছে। রাজস্থান রয়্যালস এবং কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”

মাত্র ৩০ লক্ষ টাকার বেস প্রাইসে মূল্যে শুরু হয়ে আইপিএলের মেগা নিলামে ১.১০ কোটি টাকায় বিক্রি হওয়া এই প্রতিভাবান ক্রিকেটার ইতিমধ্যেই ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খেলেছেন।

বৈভব এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “আমি যা আছি, তা শুধুই আমার পরিবার ও বাবা-মায়ের কারণে। বাবা নিজের কাজ ছেড়ে শুধু আমার পেছনে সময় দিচ্ছেন। সংসার চলে দাদার আয়ের উপর।”

উল্লেখ্য, এই শতরান শুধু একটি স্কোর নয়, এটি একটি পরিবারের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ এবং এক কিশোরের স্বপ্ন পূরণের গল্প।

বৈভবের বাবা ও মা
IPL 2025: ১৪ বছর বয়সী বৈভব সূর্যবংশীর ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি, আইপিএলে নতুন রেকর্ড
বৈভবের বাবা ও মা
IPL 2025: গম্ভীর না থাকায় কি দলের এই হাল? দিল্লি ম্যাচের আগে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য হর্ষিত রানার

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in