

আসন্ন আইপিএল থেকে আর বেগুনি জার্সিতে দেখা যাবে না আন্দ্রে রাসেলকে। তবে গাঁটছড়া মোটেই ভাঙেনি। শুধু ভূমিকা বদল। পাওয়ার হিটার নয়, পাওয়ার কোচের নতুন ভূমিকায় বড় চেহারার ক্যারিবিয়ান তারকা। এবার একটি অভিনব পদক্ষেপে রাসেলের সঙ্গে সম্পর্ক চিরকালীন করে নিল কেকেআর। এতগুলো বছর নাইটদের ১২ নম্বর জার্সি গায়ে চাপিয়ে খেলেছেন। এবার রাসেলকে উৎসর্গ করে ১২ নম্বর জার্সির অবসর ঘোষণা করলেন কেকেআরের সিইও ভেঙ্কি মাইসোর। অর্থাৎ, নাইটদের এই জার্সির আর কোনও অস্তিত্ব থাকবে না।
মঙ্গলবার রাতে কলকাতার একটি পাঁচতারা হোটেলে আয়োজিত 'কেকেআর আনপ্লাগড' অনুষ্ঠানে ভেঙ্কি মাইসোর রাসেলকে মঞ্চে ডেকে তাঁর হাতে ১২ নম্বর জার্সি তুলে দিয়ে বলেন, "রাসেলের পরিহিত ১২ নম্বর জার্সিটা তাঁর সম্মানে বরাবরের জন্য ‘অবসরে’ পাঠানো হল। এই জার্সি দলের আর কেউ ব্যবহার করবেন না।“
এই ঘোষণার পর হলে উপস্থিত কেকেআর ক্রিকেটার, কোচিং স্টাফ ও সমর্থকরা উঠে দাঁড়িয়ে সম্মান জানান রাসেলকে। আবেগঘন হয়ে পড়েন রাসেল। তিনি বলেন, যে সম্মান কেকেআর তাঁকে দিল, তা কোনদিন ভোলার নয়। খেলোয়াড় হিসেবে যেভাবে তিনি কেকেআর দলের সাফল্যের জন্য মাঠে লড়েছিলেন, সহকারী কোচের ভূমিকায় চিফ কোচ অভিয়েক নায়ারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ট্রফি জেতার কাজ করবেন এখন থেকে।
তিনি আরও বলেন, 'আমি একটু আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ছি। এক দশকের বেশি এই দলের সঙ্গে জড়িয়ে। দারুণ কিছু সাফল্যের সাক্ষী থেকেছি। এই দলের অঙ্গ হতে পেরে গর্বিত। বিশ্বকাপ জয় সবসময় স্পেশাল। আইপিএল জয় আলাদা। এবার অন্য ভূমিকায়। অন্যভাবে উপভোগ করব। আমি আছি, ডিজে ব্রাভো আছে, সুনীল আছে, ওয়াটসন রয়েছে। সবটাই আলাদা অনুভূতি এবার। তবে এবারের আইপিএলও আমার কাছে বিশেষ। মাঠে নিজেকে নিংড়ে দিয়েছি। এবার এই খেলাটার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারব না। তাই নতুন ভূমিকা নিয়ে কোনও আফশোস নেই। আমাদের কোচিং স্টাফ ভাল। সবাই তরুণ এবং প্রতিভাবান। যে কেউ এই কোচিং স্টাফের অঙ্গ হতে চাইবে। সবাই মিলে কেকেআরের সাফল্যে অবদান রাখতে চাই। আমার মনে হয় না মাইন্ডসেটে কোনও পরিবর্তন হবে। এতবছর খেলেছি, এবার কিছু ফিরিয়ে দেওয়ার পালা। দলে কোনও পরিবর্তন আনা আমার লক্ষ্য নয়। আমি এতবছর ধরে ওদের খেলতে দেখেছি। কোনও ভুলভ্রান্তি চোখে পড়লে সেটা শুধরে দেওয়ার চেষ্টা করব। এই ফ্র্যাঞ্চাইজিকে সাহায্য করতে চাই। আমরা যদি চ্যাম্পিয়ন হই, ইডেনে সমর্থকদের জন্য আমি লাইভ পারফরমেন্স করব।"
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন