

ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (BCCI) সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলী এবং সেক্রেটারি জয় শাহ সহ একাধিক পদাধিকারীদের মেয়াদ সংক্রান্ত বিষয়ে সংবিধান সংশোধন করার আবেদনের শুনানি হতে পারে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই। ২০১৯ সালে বিসিসিআই-এর পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টে একটি পিটিশন দাখিল করা হয়। সেখানেই বিসিসিআই-এর পক্ষ থেকে সংবিধান সংশোধনের আবেদন করা হয়। প্রধান বিচারপতি এনভি রমনা এবং কৃষ্ণ মুরারির একটি বেঞ্চকে বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে সিনিয়র আইনজীবী পিএস পাটওয়ালিয়া এই বিষয়টি নিয়ে মনোযোগ সহকারে দেখার এবং দ্রুত শুনানি পর্ব শুরু করার আবেদন রাখেন।
শীর্ষ আদালতে পিটিশন জমা দেওয়ার পরপরই কোভিড মহামারী দেখা যায়। যে কারণে বিষয়টি তালিকাভুক্ত করা যায়নি। আদালতের আগের আদেশে বলা হয়েছিল, সংবিধান সংশোধন আদালতের পূর্বানুমতি নিয়েই করা যেতে পারে। তাই বিসিসিআই-এর তরফ থেকে দ্রুত শুনানির আর্জি রাখা হয়েছে শীর্ষ আদালতের কাছে।
পূর্বে বিচারপতি আর.এম লোধা নেতৃত্বাধীন কমিটি বিসিসিআই-এর সংস্কারের সুপারিশ করে। যা শীর্ষ আদালতের তরফ থেকে গ্রহণ করা হয়। সুপারিশ অনুযায়ী, বিসিসিআই স্তরে কোনও পদাধিকারীর ৬ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তিন বছরের কুলিং অফ পিরিয়ড রাখার কথা বলা হয়েছে। এর ফলে মেয়াদ শেষের পরেও বিসিসিআই অথবা রাজ্য ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের পদে বহাল থাকতে পারবেন আধিকারিকরা।
পাশাপাশি সংবিধান সংক্রান্ত আরও কয়েকটি নিয়ম পরিবর্তনের ব্যাপারে অনুমতি চাওয়া হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের কাছে। আগামী সপ্তাহেই শুরু হতে পারে এই আবেদনের শুনানি।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন