

দোল পালন সপ্তাহে বিপুল রোজগার করল রাজ্যের আবগারি দপ্তর। গত দু'বছর করোনা সংক্রমণের জেরে রঙের উৎসব পালনে কিছুটা ভাঁটা পড়েছিল। এবার যেন সেটাই রাজ্যবাসী উসুল করে নিলেন। তার রেশ পড়ল আবগারি দফতরে। পাল্লা দিয়ে বাড়ল মদ বিক্রির হার। এই সপ্তাহে আবগারি দফতর রোজগারে রেকর্ড গড়ল। আবগারি দফতরের হিসাব বলছে, বৃহস্পতিবার থেকে রবিবার পর্যন্ত চারদিনে বিপুল আয় বাড়ল।
চারদিন ২০০ কোটি টাকার মদ বিক্রি অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ৫০ কোটি টাকার মদ বিক্রি হয়েছে। এই পরিমাণ ব্যবসার হতে পারে, তা ভাবতেও পারেনি আবগারি দফতর। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক আবগারি দফতরের এক আধিকারিক রসিকতা করে বলেন, ‘মানুষ এবার গান ধরেছেন। খেলব হোলি মাল খাব না, তাই কখনও হয়।'
দফতর সূত্রে খবর, শুক্রবার দোল পূর্ণিমা ও শনিবার হোলি ছিল। কিন্তু উৎসব শুরু হয়ে গিয়েছিল বৃহস্পতিবারই। সুরাপ্রেমীরা সংগ্রহ করে রেখেছিলেন মদ। চারদিনে প্রায় ২০০ কোটি টাকার মদ বিক্রি হয়েছে। এরমধ্যে দোলের দিন গত শুক্রবার মদের দোকানের ঝাঁপ বন্ধ ছিল। গত বছরের তুলনায় মদ বিক্রির হার অনেকটাই বেড়েছে। একদিনে ৭০ কোটি টাকার মদ বিক্রি হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের দুর্গাপুজো ও বর্ষবরণে রাজ্যে রেকর্ড মদ বিক্রি হয়েছিল। এখন রাজ্য সরকার বাড়িতে মদ পরিষেবা দিতে নানা সংস্থার সঙ্গে কথাবার্তা চালাচ্ছে। আগামী এপ্রিল মাস থেকেই হয়তো এই পরিষেবাও চালু হয়ে যাবে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন