

বর্ষশেষের ফেস্টিভ সিজন পালন করার জন্য কোভিড বিধি-নিষেধের ছাড়পত্র মিলেছিল। বিশেষ কড়াকড়ি ছিল না। রাজ্যবাসী মেতে উঠেছিল। আর এই কয়েকদিনে মদ বিক্রিতে রেকর্ড সংখ্যক আয় করল রাজ্য। গতবছর কোভিড পরিস্থিতির জন্য মদ বিক্রিতে আয় অনেকটাই কমে গিয়েছিল। এবছর ঘাটতি মিটিয়ে কয়েকশো কোটি টাকার বিক্রি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
গত ২৪ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যে রেকর্ড মদ বিক্রি হয়েছে। বিভিন্ন বার ও রেস্তোরাঁয় মোট ৯ দিনে ৬৫০ কোটি টাকার বেশি মদ ও খাবার বিক্রি হয়েছে। আবগারি দফতরের পরিসংখ্যান বলছে, ২৪ ডিসেম্বর থেকে প্রতিদিন গড়ে ৭০-৭৫ কোটি টাকার মদ ও খাবার বিক্রি হয়েছে। সবথেকে বেশি বিক্রি হয়েছে ২৫ ও ২৬ ডিসেম্বর।
২০২০-২১ আর্থিক বছরে ১২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। পুজোর সময়ও যথেষ্ট পরিমাণে মদ বিক্রি হয়। আবগারি দফতর বছরের শেষে সাড়ে তিন মাস বাকি থাকতেই ১২ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করে।
করোনা মহামারী যখন ভয়াবহ আকার নিল, তখন আয় বাড়াতে অনলাইনে মদ বিক্রির শুরু করে রাজ্য। আর তার ফল হাতেনাতে মেলে। প্রথমদিকে দোকান বন্ধ, পরে দোকান খুললেও লম্বা লাইন, সেসব এড়াতে অনলাইনে মদ কেনেন বহুলোক। তার প্রভাব পড়ে এই বিক্রিতে। এমনটাই মনে করা হচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহলে। সরকারি হিসেব অনুযায়ী, অনলাইনে মদ কিনেছেন এমন ব্যক্তির সংখ্যা এখন প্রায় লক্ষাধিক।
গত ২০১৫-১৬ আর্থিক বছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি আবগারি দফতর। কিন্তু তারপর থেকে আর ঘুরে তাকাতে হয়নি। ২০১৯-২০ আর্থিক বছরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১১০০০ কোটি টাকা, আয় হয়েছে ১১২৩৬ কোটি টাকা।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন