

শেষ দশ বছরে মদ থেকে ৫৭০% আয় বৃদ্ধি, মদ বিক্রি বাড়াতে হবে ২৫% করে - নির্দেশ রাজ্যের!দুয়ারে রেশন, দুয়ারে শিক্ষা, দুয়ারে সরকারের পর এবার রাজ্যের নতুন চমক। কোভিড পরিস্থিতিতে খুব প্রয়োজন ছাড়া দরকার নেই বাড়ির বাইরে বেরোনোর। এই নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া হবে মদ। এই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়িত করতে চলেছে রাজ্য।
আগে রাজ্যের আবগারি দফতরের পোর্টাল থেকেও বিভিন্ন মদের দোকানকে পৌঁছে দিতে হত মদ। এলাকাভিত্তিক মদের দোকানগুলি নিজেদের অর্ডার মতো কর্মীদের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি মদ পৌঁছে দিত। সেই পরিষেবা চালু থাকলেও তা পুরোপুরি সক্রিয় নয়। এবার বিভিন্ন ই-রিটেল সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করে এই পরিষেবা রাজ্যের সর্বত্র সক্রিয় ভাবে চালু করতে চাইছে রাজ্য। সরকারি ভাবে এই ব্যবস্থার নামকরণ করা হয়েছে। অবশ্য অনেকেই এটিকে ‘দুয়ারে মদ’ প্রকল্প নাম দিয়েছেন।
আবগারি দফতর সূত্রের খবর, গত অগস্ট মাসেই এই প্রক্রিয়া শুরু হয়। আবগারি দফতরের অধীন ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট বেভারেজেস কর্পোরেশন’ (বেভকো) মদের ই-রিটেল করতে আগ্রহীদের আবেদনপত্র চেয়ে বলা হয়, তারাই আবেদন করতে পারবে, যারা অনলাইনে বরাত নিয়ে বিভিন্ন খুচরো দোকান থেকে মদ কিনে ক্রেতাদের বাড়ি পৌঁছে দিতে পারবে। শর্ত ছিল, মদ বিক্রি করা যাবে শুধু নির্দিষ্ট বয়সের উপরের ক্রেতাদেরই।
আবগারি দফতরের এক কর্তা জানান, অগ্রিম ২৫ হাজার টাকা দিয়ে অনেক আবেদন জমা পড়েছিল দফতরে। তার মধ্যেই চারটি সংস্থাকে বাছা হয়েছে। সংস্থাগুলি কলকাতা, মুম্বই, বেঙ্গালুরু ও চেন্নাইয়ের।
দফতর সূত্রের খবর, চলতি মাসেই এই চার সংস্থা ‘বাজিমাত ড্রিংকস’, ‘নেচারস বাস্কেট’, ‘দুনজো ডিজিটাল’ এবং ‘প্লটিনাস অ্যানালিটিকা’র নাম চূড়ান্ত করে। কোন সংস্থা কোন এলাকায় কীভাবে অনলাইনে বরাত নিয়ে কাজ করবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ফেব্রুয়ারি মাসের গোড়াতেই চার সংস্থার সঙ্গে ‘মউ’ (মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং) স্বাক্ষরিত হবে। তারপরেই নিয়মকানুন সব চূড়ান্ত হলে আগামী অর্থবর্ষের গোড়ায় অর্থাৎ এপ্রিল মাস থেকে শুরু হয়ে যাবে এই পরিষেবা।
আবগারি দফতর নতুন যে ব্যবস্থা করছে, তাতে বাড়তি খরচের পরিমাণ কত, তা এখনও জানা যায়নি। চুক্তির পরেই এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন