

‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ কর্মসূচি কেমন চলছে তা তদারকি করতে গিয়ে উত্তরপাড়ার বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিকের বিরুদ্ধে মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের কাছে ক্ষোভ উগরে দিলেন দলের কাউন্সিলর থেকে সাধারণ মানুষ। তাঁদের অভিযোগ, এলাকায় দেখতে পাওয়া যায় না বিধায়ককে। তাঁদের কথায়, “ওঁকে শুধু মোবাইলে দেখি। কখনও নাচছেন, কখনও হামাগুড়ি দিচ্ছেন!” যদিও এনিয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি ববি।
মঙ্গলবার হুগলির উত্তরপাড়ায় গিয়েছিলেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। কর্মসূচি কেমন চলছে খোঁজ খবর নেন তিনি। মন্ত্রীর সঙ্গে এদিন দলের স্থানীয় নেতৃত্ব থেকে কাউন্সিলর সকলেই উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন না কেবল বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিক। তাঁর অনুপস্থিতিতে বিধায়কের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন দলের কর্মী থেকে স্থানীয়রা।
উত্তরপাড়ার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তাপস মুখোপাধ্যায় কটাক্ষের সুরে বলেন, “আমাদের বিধায়ককে কোনও কিছুতেই পাওয়া যায় না। ওঁকে শুধু মোবাইলে দেখা যায় নাচগান করতে, হামাগুড়ি দিতে।’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘আসলে উনি বিধায়ক হওয়ার যোগ্যই নন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টিকিট দিয়েছিলেন। দলের কর্মীরা খেটে তাঁকে বিধায়ক করেছেন। কিন্তু উত্তরপাড়ার মানুষ তাঁর থেকে কিছুই পাননি।’’
এনিয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি ফিরহাদ। পরে তিনি বলেন, ‘‘‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ রাজ্যের প্রতিটি বুথে মানুষের সমস্যা এবং চাহিদা শুনে তার সমাধান করছে। এটা পুরো ভারতের মধ্যে অভিনব কর্মসূচি। হয়তো আগামিদিনে কেন্দ্রীয় সরকার শিখবে। যেমন ভাবে এই রাজ্যের বিভিন্ন প্রকল্প দেখে তারা শিখেছে। এটা মানুষের খুব উপকারে আসছে। কারণ, মানুষ তৃণমূলস্তরের সমস্যা তুলে ধরছেন এবং তার সমাধানও হচ্ছে।’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘আমরা সারা বছর মানুষের পাশে থাকি। আসলে সারাবছর পড়াশোনা করলে পরীক্ষার সময় পড়তে হয় না। আমরা সারা বছর মানুষের পাশে থাকি। তাই আমাদের চমক দেওয়ার দরকার পড়ে না।’’
স্থানীয়দের অভিযোগ প্রসঙ্গে এখনও বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিকের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন