

অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ইডি (Enforcement Directorate) হাজিরা এড়ালেন মধ্যমগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক ও রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁকে তলব করেছিল ইডি। সোমবার তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেবার নির্দেশ দেওয়া হয়।০ যদিও জানা গেছে এদিন তিনি ইডি দপ্তরে হাজিরা দেননি।
এর আগেও এই মামলায় একাধিকবার জেরার মুখে পড়েছেন তৃণমূল বিধায়ক। ভোটের কারণ দেখিয়ে বহুবার তিনি হাজিরা এড়িয়েছেন। যদিও গত ১৫ মে তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন এবং সেদিন প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে তাঁর জেরা চলে। এরপরেই ফের তাঁকে আজ সোমবার ২৫ মে হাজিরা দেবার জন্য নোটিশ পাঠানো হয়।
মধ্যমগ্রাম পুরসভার দীর্ঘদিনের চেয়ারম্যান ছিলেন রথীন ঘোষ। তাঁর আমলে পুরসভায় নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। মূলত শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্ত চলাকালীন অয়ন শীলের বাড়িতে তল্লাসি চালানোর সময় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়। সেখান থেকেই পুর নিয়োগ দুর্নীতির বিষয়ে জানা যায়। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রথীন ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল এবং তাঁর বাড়িতে তল্লাশিও চালানো হয়।
প্রসঙ্গত, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগে গত ১১ মে গ্রেপ্তার হয়েছেন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু। দক্ষিণ দমদম পুরসভায় নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে ইডি।
সদ্যসমাপ্ত রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে মধ্যমগ্রাম কেন্দ্র থেকে তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ১,৫৭৯ ভোটে জয়ী হন রথীন ঘোষ। তিনি পান ৯৫,৯৯৫ ভোট। এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী অনিন্দ্য বন্দ্যোপাধ্যায় পান ৯৩,৫৮৬ ভোট। তাঁর অন্য প্রতিদ্বন্দ্বী বাম সমর্থিত আইএসএফ প্রার্থী পেয়েছিলেন ৩৫,৫০১ ভোট।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন