

রাজ্যে নির্বাচনের মুখে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু এবং খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষকে আবারও তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। আসন্ন নির্বাচনে এই দুজনই শাসকদল তৃণমূলের প্রার্থী। সুজিত বসু বিধাননগর এবং রথীন ঘোষ মধ্যমগ্রাম কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এবার নোটিস অমান্য করলে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে ইডি সূত্রে জানা গেছে।
চলতি মাসে এই নিয়ে তৃতীয়বার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করে নোটিশ দেওয়া হয়েছে সুজিত বসু এবং রথীন ঘোষকে। গত ৬ এপ্রিল দমকলমন্ত্রী সুজিতকে তলব করেছিল ইডি। তার দু’দিন পরে খাদ্যমন্ত্রী রথীনকেও তলব করা হয়েছিল। কিন্তু দু’জনেই গরহাজির ছিলেন। ‘নির্বাচনী ব্যস্ততা’র কারণ দেখিয়ে ১৫ মে-র পর হাজিরার আবেদন জানিয়েছিলেন তাঁরা। তবে সেই অনুরোধ খারিজ করেছে ইডি।
এর আগে ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রথীন ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল এবং তাঁর বাড়িতে তল্লাশিও চালানো হয়। অন্যদিকে, ২০২৪ সালের জানুয়ারি ও ২০২৫ সালের অক্টোবরে সুজিত বসুর দফতর ও বাড়িতে অভিযান চালায় ইডি। তাঁর ঘনিষ্ঠদের বাড়িতেও তল্লাশি হয়। সুজিত বসু প্রকাশ্যে ইডির বিরুদ্ধে তাঁকে হেনস্থার অভিযোগ তুলেছিলেন।
এরপর বেশ কয়েক মাস নিষ্ক্রিয় ছিল ইডি। সম্প্রতি ফের সক্রিয় হয়েছে তারা। ভোটের মুখে এভাবে তলব করা নিয়ে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’র অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল।
উল্লেখযোগ্যভাবে, এর আগে রাসবিহারী কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক দেবাশিস কুমারকেও তলব করেছিল ইডি। জমি দখল সংক্রান্ত মামলায় তাঁকে তিন দফা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন