

এআই দিয়ে ভিডিও বানানো হয়েছে। তৃণমূলের প্রকাশ করা ভিডিও প্রসঙ্গে এমনই দাবি করলেন হুমায়ুন কবীর। টাকা নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণ করার দাবি জানিয়েছেন তিনি। নইলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ এবং ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করবেন বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে এক ভিডিও প্রকাশ করে তৃণমূল। শাসকদলের পক্ষ থেকে ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কুণাল ঘোষ, ফিরহাদ হাকিম এবং অরূপ বিশ্বাস। রাজ্যের মুসলিমদের বিপথে চালিত করতে বিজেপির সঙ্গে হুমায়ুন কবীরের ১০০০ কোটি টাকার চুক্তি হয়েছে বলে দাবি করেছে রাজ্যের শাসকদল।
তৃণমূলের প্রকাশ করা ১৯ মিনিটের ওই ভিডিয়োতে তারিখ রয়েছে গত বছরের ১৯ ডিসেম্বরের। ভিডিওতে এক পর্যায়ে হুমায়ুনকে সামনে থাকা ব্যক্তির এক প্রশ্নের জবাবে বলতে শোনা গেছে, “বোকা বানাতে হবে (মুসলিমদের)।… আমার টাকা দরকার। মুসলিমদের এককাট্টা করার জন্য, ভোটে তাদের আমাদের দিকে আনার জন্য এক একটা সিটে ৩-৪ কোটি খরচ হবে।“ প্রশ্নকর্তা বলেন, “আপনার লক্ষ্যপূরণ করার জন্য মোট কত টাকা লাগবে?” হুমায়ুন জানান তাঁর ১০০০ কোটি টাকা লাগবে। (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি পিপলস্ রিপোর্টার)
নির্বাচনের দু’সপ্তাহ আগে এই ভিডিও ঘিরে রাজ্য-রাজনীতিতে তুমুল হইচই শুরু হয়েছে। এই ভিডিও প্রসঙ্গে হুমায়ুন জানান, “পুরোপুরি AI দিয়ে করা হয়েছে। আমার সাথে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে পারছে না তৃণমূল কংগ্রেস। আমাকে ভয় পেয়েছে, আমার রাজনৈতিক দলকে ভয় পেয়েছে। তাই আমার বিরুদ্ধে AI ভিডিও করে ছাড়া হচ্ছে। ওদের শক্তি থাকে তো প্রমাণ করুক, কোন BJP নেতাদের সঙ্গে আমার মিটিং হয়েছে, কোথায় মিটিং হয়েছে, কোনও টাকা নিয়েছি কি না। প্রমাণ করতে পারলে, মেনে নেব। না প্রমাণ করতে পারলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ, ববি হাকিম কাউকে ছাড়বো না। সকলের বিরুদ্ধে মামলা করব।“
তিনি আরও বলেন, “পুরো মুসলমান সমাজকে অপমান করার জন্য, মুসলমানদের বিভ্রান্ত করার জন্য়, এটা করা হয়েছে। মুসলমান ভোট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে সরে গিয়েছে। হুমায়ুন কবীরের পক্ষে আজ মুসলমানরা কথা বলছে, তাই ভয় পেয়ে হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে এসব চক্রান্ত হচ্ছে।“
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন