

টিকিট না পেয়ে দলকে ফল ভোগ করার হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী তাজমুল হোসেন। মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের বিধায়ক তিনি। রাজ্যের ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প এবং বস্ত্রশিল্প দফতরের মন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন। এবার তাঁকে প্রার্থী করেনি তৃণমূল। তাঁর জায়গায় হরিশ্চন্দ্রপুরে এবার শাসকদল প্রার্থী করেছে মহম্মদ মাতেবুর রহমানকে। এরপরই মন্ত্রী তাজমুল হোসেনের হুঁশিয়ারি, “তৃণমূলকে এর ফল ভুগতে হবে।“
মাতেবুর রহমান সম্প্রতি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। ২০২১ সালে এই হরিশচন্দ্রপুরেই বিজেপির টিকিটে লড়েছিলেন তিনি। গত ৭ মার্চ রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু এবং সাংসদ নাদিমুল হকের উপস্থিতিতে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। দলবদল করেই ৩ বারের বিধায়ককে সরিয়ে টিকিট পেয়ে গেলেন মাতেবুর। এই ঘটনায় অত্যন্ত ক্ষুব্ধ তাজমুল হোসেন। তাঁর কথায়, দল তাঁর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।
বুধবার বিকেলে অনুগামীদের নিয়ে নিজের বাসভবনের সামনে দাঁড়িয়ে বিদায়ী বিধায়ক বলেন, “আমি তো ভেবেই উঠতে পারছি না! ১৫ বছর ধরে একনিষ্ঠ ভাবে দল করলাম। আর কেউ হঠাৎ করে এসে টিকিট পেয়ে যাবেন! হরিশ্চন্দ্রপুরের তৃণমূল প্রার্থী যিনি হলেন, তিনি পার্টির ‘প’ জানেন না। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর যোগসূত্র নেই। আর দল তো আমার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করল। এর ফল ভুগতে হবে দলকে।“ এই কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি। জানা গেছে, নির্বাচনে লড়ার আগাম প্রস্তুতিও নিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। কর্মীদের সাথে একাধিক মিটিং-ও করে ফেলেছিলেন তিনি।
তাজমুল হোসেনের অনুগামীদের একাংশের অভিযোগ, মোটা টাকায় বিক্রি হয়েছে প্রার্থীপদ। দলের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাক বিপুল টাকার বিনিময়ে প্রার্থীপদ বিক্রি করেছে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন