কয়েকদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে প্রবল জল্পনা ছিল। অবশেষে জল্পনা সত্যি করে কংগ্রেসের সঙ্গে দীর্ঘ সময়ের সম্পর্ক ছিন্ন করলেন সন্তোষ পাঠক। সোমবার রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যর হাত থেকে তুলে নিলেন বিজেপির পতাকা। কংগ্রেসের দীর্ঘদিনের সৈনিক সন্তোষ পাঠকের দলত্যাগ নির্বাচনের মুখে অবশ্যই রাজ্য কংগ্রেসের জন্য বড়ো ধাক্কা।
পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের দাপুটে নেতা হিসেবেই পরিচিত ছিলেন সন্তোষ পাঠক। কংগ্রেসের চরম দুর্দিনেও দাপটের সঙ্গে আটকে রেখেছিলেন নিজের ওয়ার্ড। বর্তমান কলকাতা পুরসভাতেও তিনি ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের পৌরপিতা। রাজ্য জুড়ে তৃণমূল ঝড়ের মধ্যেও নিজের আসন তিনি ধরে রেখেছেন একটানা ২২ বছর।
সূত্র অনুসারে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে চৌরঙ্গী কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে চলেছেন সন্তোষ পাঠক। এর আগে তিনি কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জয়ী হতে পারেননি।
কংগ্রেস ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দেবার পর সন্তোষ পাঠক বলেন, কংগ্রেসের পক্ষে তৃণমূলকে সরানো সম্ভব না। তাই বিজেপিতে যোগদান। তৃণমূলের বিসর্জন দেওয়াই আমার লক্ষ্য।
সন্তোষ পাঠকের বিজেপিতে যোগদান প্রসঙ্গে দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, সন্তোষ পাঠক কোনোদিন দলবদলের রাজনীতি করেননি। দীর্ঘ দিন ধরে উনি কংগ্রেসের কাউন্সিলর ছিলেন। কংগ্রেসের চরম কঠিন অবস্থাতেও তিনি কংগ্রেস ছেড়ে যাননি। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি তাঁকে কংগ্রেস ছাড়তে বাধ্য করেছে।
রাজ্য রাজনীতিতে সন্তোষ পাঠক একবগগা কংগ্রেসি হিসেবেই পরিচিত। বেশ কিছুদিন ধরেই তাঁর দলবদল নিয়ে গুঞ্জন ছিল। জানা যাচ্ছে, তাঁর ঘনিষ্ঠ অমিতাভ ভট্টাচার্যকে তিনি এই বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। যদিও তিনি যে সত্যিই দল ছেড়ে দেবেন তা কেউ ভাবেননি।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন