

রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য দ্বিতীয় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। এই তালিকায় ১১১ জনের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। তালিকায় অন্যতম বড় চমক অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়। প্রথম তালিকায় তাঁর নাম না দেখে অনেকেই ভেবেছিলেন ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বড্ড বেশি চর্চায় থাকার কারণে এবার হয়তো তাঁকে টিকিট দেওয়া হবে না। কিন্তু দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশ হতেই সেই ভুল ভেঙে গেছে। কেন্দ্র বদল করা হয়েছে তাঁর। হিরণকে এবার খড়গপুর সদর থেকে সরিয়ে হাওড়ার শ্যমপুরে প্রার্থী করা হয়েছে।
ব্যারাকপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী। আর এক আইনজীবী বিজেপির অন্যতন জনপ্রিয় যুবনেতা তরুণ জ্যোতি তিওয়ারিকেও টিকিট দেওয়া হয়েছে। রাজারহাট গোপালপুর থেকে লড়বেন তিনি। নোয়াপাড়াতে অর্জুন সিংয়ের উপরেই ভরসা রেখেছে বিজেপি।
উত্তর কলকাতার মানিকতলা আসনে প্রার্থী করা হয়েছে প্রাক্তন তৃণমূল নেতা তাপস রায়কে।
দীর্ঘদিন পর নির্বাচনী লড়াইয়ে ফিরছেন রূপা গাঙ্গুলি। তাঁকে সোনারপুর দক্ষিণে প্রার্থী করা হয়েছে। টালিগঞ্জে আর এক অভিনেত্রী পাপিয়া অধিকারীকে টিকিট দিয়েছে বিজেপি। আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল লড়বেন এন্টালি থেকে। যাদবপুরের প্রার্থী শর্বরী মুখোপাধ্যায়।
বেহালা পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থী দলের যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ। কাশীপুর বেলগাছিয়ায় প্রার্থী হয়েছেন রিতেশ তিওয়ারি।
এগরা থেকে লড়বেন শুভেন্দু অধিকারীর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী। হিঙ্গলগঞ্জে প্রার্থী করা হয়েছে সন্দেশখালি আন্দোলন থেকে উঠে আসা নেত্রী রেখা পাত্রকে। সন্দেশখালিতে বিজেপি প্রার্থী সনৎ সর্দার। কোচবিহারের মাথাভাঙায় লড়বেন প্রাক্তন সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক।
উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দল থেকে লড়বেন অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসার রাজেশ কুমার। সিনিয়রিটি থাকা সত্ত্বেও তাঁকে কেন রাজ্য পুলিশের ডিজি করা হল না, সেই প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিলেন এই রাজেশ।
প্রথম দফার তালিকা থেকে এক জনের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। বিষ্ণুপুর কেন্দ্রে এর আগে বিজেপি প্রার্থী করেছিল অগ্নিশ্বর নস্করকে। তা বদলে ওই কেন্দ্রে বিশ্বজিৎ খাঁকে প্রার্থী করা হয়েছে।
তালিকা ঘোষণার আগে শোনা যাচ্ছিল পানিহাটি কেন্দ্র থেকে লড়তে পারেন আরজি কর কাণ্ডের নির্যাতিতার মা। কিন্তু তালিকায় পানিহাটির নাম নেই।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন