

রাজ্যে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষিত হয়ে গেছে। অধিকাংশ কেন্দ্রের প্রার্থীর নামও ঘোষণা করা হয়ে গেছে। কিন্তু জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করবে যাঁরা, সেই ভোটারদের একাংশের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে এখনও। এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকায় ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ভোটার ‘বিবেচনাধীন’ ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত ছিল। তাঁদের ভাগ্য নির্ধারণ করছেন হাইকোর্ট নিযুক্ত বিচারবিভাগীয় আধিকারিকেরা।
জানা গেছে, এখনও পর্যন্ত ২০ লক্ষ ‘বিবেচনাধীন’ ভোটারের তথ্য যাচাই করে নিষ্পত্তির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। চলতি সপ্তাহেই প্রকাশিত হতে পারে প্রথম সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা। জানা যাবে ২০ লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ। নির্বাচন কমিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত মঙ্গলবার একথা জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের তৈরি করে দেওয়া উচ্চস্তরের কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেন সুব্রত গুপ্ত। এই বৈঠকে সুব্রত গুপ্ত ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়াল, মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালা, স্বরাষ্ট্রসচিব সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত। জানা গেছে শুক্র অথবা শনিবার প্রকাশ হতে পারে ওই সাপ্লিমেন্টারি তালিকা।
যাঁদের নাম ওই তালিকায় থাকবে না, তাঁরা বিচার বিভাগের বিশেষ ট্রাইবুনালে আবেদন জানাতে পারবেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশমতো এই ট্রাইবুনাল গঠনের বিষয়েও তোড়জোড় শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ট্রাইবুনালে কারা থাকবেন, তা-ও চূড়ান্ত হয়ে যাবে।
উল্লেখ্য, তথ্য যাচাইয়ের কাজে এখনও পর্যন্ত মোট ৭০৫ জন বিচারককে নিযুক্ত করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি ঝাড়খণ্ড এবং ওড়িশার বিচারকদেরও এ কাজে নিযুক্ত করা হয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছিলেন, ভোটের আগের দিন পর্যন্ত যাঁদের নাম নিষ্পত্তি হবে তাঁরা ভোট দিতে পারেন। সেই মতো শুক্রবার বা শনিবার প্রথম সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে চলেছে কমিশন। ভোটের আগে পর্যন্ত এরকম একাধিক তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, এবারে রাজ্যে ভোট হবে দুই দফায়। প্রথম দফার ভোট হবে আগামী ২৩ এপ্রিল, ১৫২টি আসনে। দ্বিতীয় দফায় হবে ২৯ এপ্রিল, ১৪২টি আসনে। গণনা হবে আগামী ৪ মে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল আট দফায়।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন