প্রাথমিক নিয়োগে অংশ নিতে পারবেন না উচ্চ-প্রাথমিকের পার্শ্বশিক্ষকরা, নির্দেশ হাইকোর্টের

প্রাথমিকের নিয়োগ সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চে। ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, এই নিয়োগে কেবল প্রাথমিকের পার্শ্বশিক্ষকরাই অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
কলকাতা হাইকোর্ট
কলকাতা হাইকোর্টফাইল ছবি
Published on

প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন না উচ্চ প্রাথমিকের পার্শ্বশিক্ষকরা। বুধবার এই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। ফলে আংশিকভাবে খারিজ হয়ে গেল সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়।

বুধবার প্রাথমিকের নিয়োগ সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চে। শুনানি শেষে ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, এই নিয়োগে কেবল প্রাথমিকের পার্শ্বশিক্ষকরাই অংশগ্রহণ করতে পারবেন। উচ্চপ্রাথমিকের পার্শ্বশিক্ষকরা প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন না।

গত বছর নভেম্বর মাসে প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় উচ্চপ্রাথমিকের পার্শ্বশিক্ষক এবং প্রাথমিকের পার্শ্বশিক্ষকদের অংশগ্রহণে অনুমতি দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলি। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় প্রাথমিকের চাকরিপ্রার্থীরা।

মামলাকারীরা জানান, উচ্চপ্রাথমিকের পার্শ্বশিক্ষকদের সুযোগ দিলে প্রতিযোগিতা আরও বেড়ে যাবে। ফলে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে। এটা বিবেচনা করে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই হাইকোর্টের নির্দেশ খারিজ করে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল বি.এড প্রশিক্ষিতরা প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে অংশ নিতে পারবে না। সুপ্রিম কোর্ট এনসিটিই-র গাইডলাইনও উল্লেখ করেছে। এনসিটিই-র নির্দেশিকায় বলা হয়েছে উচ্চপ্রাথমিক এবং উচ্চমাধ্যমিকের ক্ষেত্রে বি.এড বাধ্যতামূলক। বিভিন্ন ক্ষেত্রে চাকরির জন্য পৃথক পৃথক কোর্স নির্দিষ্ট রয়েছে। তার বাইরে গিয়ে চাকরি করা যাবে না। যদি উচ্চপ্রাথমিকে বা উচ্চমাধ্যমিকে ডি.এল.এড-দের সুযোগ দেওয়া হয় তাহলে বি.এডদের সমস্যা। আবার প্রাথমিকে বি.এডদের সুযোগ দিলে ডি.এল.এডদের অসুবিধা হবে।

কলকাতা হাইকোর্ট
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে অংশ নিতে পারবে না B.Ed প্রশিক্ষিতরা, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
কলকাতা হাইকোর্ট
Independence Day: 'লালকেল্লা থেকে শেষবার পতাকা তুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী' - লালুপ্রসাদ যাদব

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in