

বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে সরাসরি নালিশ মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে। বৃহস্পতিবারই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ‘জনতার দরবারে’ এই অভিযোগ জমা পড়েছেন। যে অভিযোগ যাদবপুরের বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে। অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী তথা ভবানীপুরের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ওই বিধায়কের নামে দোকান দখলের অভিযোগ এনেছেন এক মহিলা।
বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর ‘জনতার দরবারে’ চলাকালীন যাদবপুরের বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান এক মহিলা। তাঁর অভিযোগ, গত ৩০ বছর ধরে তিনি একটি শাড়ি এবং জামাকাপড়ের দোকান চালান। গত ১২ জুন রাতে তাঁর সেই দখল করে নেওয়া হয়েছে। ওই মহিলার অভিযোগ, দখলের সময় বিধায়ক সশরীরে উপস্থিত না থাকলেও তিনি তাঁর দুই সহযোগীকে দিয়ে এই কাজ করিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানানোর পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিধায়কের দুই অনুগামীর নামও জানিয়েছেন ওই মহিলা।
মহিলা জানিয়েছেন, এর আগে তৃণমূল আমলেও তাঁর দোকান দখলের চেষ্টা করা হয়েছিল। দোকানের যাবতীয় কাগজপত্র তাঁর কাছে আছে এবং তিনি সেইসব নথি মুখ্যমন্ত্রীকে দেখিয়েছেন। মহিলার দাবি, মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে দোকান ফিরিয়ে দেবার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন এবং জানিয়েছেন তাঁরা দখল বরদাস্ত করেন না। তিনি ওই দোকান ফেরত পাইয়ে দেবার ব্যবস্থা করবেন।
যদিও মহিলার আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, অভিযোগকারী মহিলা অসত্য বলেছেন। বরং তিনিই দীর্ঘদিন ধরে ওই দোকান আটকে রেখেছিলেন বেআইনিভাবে। দোকানের মালিক বিধায়কের সঙ্গে যোগাযোগ করার পর তিনি ব্যবস্থা নিয়েছেন। কোনও দখলদারির ঘটনা ঘটেনি। তিনি আরও জানান, মুখ্যমন্ত্রী এই বিষয়ে তাঁর কাছে জানতে চাইলে তিনি সমস্ত তথ্যপ্রমাণ তাঁর হাতে তুলে দেবেন।
রাজ্যের শেষ বিধানসভা নির্বাচনে যাদবপুর কেন্দ্র থেকে ২৭৭১৬ ভোটে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী শর্বরী মুখোপাধ্যায় (১০৬১৯৯)। একসময়ে বাংলা সিরিয়াল জগতের সঙ্গে যুক্ত শর্বরী মুখোপাধ্যায় ওই কেন্দ্রে পরাজিত করেন তৃণমূল প্রার্থী দেবব্রত মজুমদারকে (৭৮৪৮৩)। এই কেন্দ্রেই তৃতীয় স্থানে ছিলেন সিপিআইএম প্রার্থী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য (৪১১৪৮)।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন