

ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে আর তৃণমূলের ২১ জুলাইয়ের সভা নয়। রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে তৃণমূলের কালীঘাট গোষ্ঠী এবং তৃণমূলের ঋতব্রত গোষ্ঠীকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ধর্মতলার মত ব্যস্ত জায়গায় রাস্তা আটকে কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি করা যাবে না।
অতীতে প্রতি বছর ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনের রাস্তা জুড়েই অনুষ্ঠিত হত ২১ জুলাইয়ের সভা। বহু বছর থেকেই ওই রাস্তাতেই তৃণমূলের সমাবেশ হয়। ২০১১ সালে ব্রিগেডে ২১ জুলাইয়ের সমাবেশ করা হলেও পরের বছরেই তা আবার ধর্মতলায় ফিরে আসে।
ওই একই জায়গায় বিজেপির পক্ষ থেকেও সভা করা হয়েছে নয় নয় করে দু’বার। প্রথমবার ২০১৪ সালের ৩০ নভেম্বর এবং দ্বিতীয়বার ২০২৩ সালের ২৯ নভেম্বর। দ্বিতীয়বারের সভার আগে রীতিমত খুঁটি পুজো করে সভার প্রস্তুতি নেওয়া হয় বিজেপির পক্ষে। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে বিজেপির সভার পর ২০১৫ সালের ২১ জুলাই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনের সমাবেশ থেকে ‘বিজেপি হটানো’র ডাক দিয়েছিলেন তৎকালীন তৃণমূল নেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এ বছর ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভা করতে চেয়ে তৃণমূল ঋ এবং তৃণমূল ম দু’পক্ষ থেকেই আবেদন করা হয়েছিল। এর মাঝেই ধর্মতলায় গিয়ে রীতিমত ফিতে নিয়ে মাপঝোক করে এসেছিলেন তৃণমূলের মমতাপন্থী বিধায়ক কুণাল ঘোষ। দেখা গেছিল দোলা সেনকেও। যদিও গতকালই বিধানসভায় এই বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
লালবাজার থেকে অনুমতি না পাওয়ার পরে তৃণমূলের মমতাপন্থী গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে তাঁরা এখনও সরকারিভাবে কিছু জানেন না। তাই এখনই এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হবে না।
অন্যদিকে তৃণমূলের ঋতব্রত গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচি হবেই। সাধারণ মানুষের অসুবিধা না করে এই কর্মসূচির বিষয়ে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, প্রতিবার যে জায়গায় ২১ জুলাইয়ের সমাবেশ হয় সেখানেই হবে। পাঁচ জন কর্মী থাকলেও সে দিন মিটিং হবে। এরপর পুলিশের কাছে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনের অঞ্চলে সভা করার অনুমতি চাওয়া হয়। অন্যদিকে নিজেদের আসল তৃণমূল দাবি করে ঋতব্রত গোষ্ঠীর পক্ষ থেকেও একই জায়গায় সভার অনুমতি চাওয়া হয়।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন