

মন্ত্রী পরিষদ, ক্যাবিনেট সচিবালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং রাষ্ট্রীয় অতিথিদের আতিথেয়তা ও বিনোদনের জন্য বরাদ্দ বাড়ানো হল ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেটে। ১,১০২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে এবছরের বাজেটে। গত বছর এই বাবদ ৯৭৮.২০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল।
রবিবার ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। সেখানেই তিনি একথা জানিয়েছেন। এর মধ্যে মন্ত্রী পরিষদের খরচ বাবদ বরাদ্দ হয়েছে ৬২০ কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে এই খাতে বরাদ্দ ছিল ৪৮৩.৫৪ কোটি টাকা। এই খাতে ক্যাবিনেট মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদের বেতন, আপ্যায়ন ভাতা, অন্যান্য ভাতা ও ভ্রমণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়াও ভিভিআইপিদের জন্য Special Extra Session Flight Operations-এর ব্যয়ও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) প্রশাসনিক ব্যয় মেটানোর জন্য ৭৩.৫২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ সালে যা ছিল ৬৮ কোটি টাকা।
প্রধান বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টার কার্যালয়ের জন্য ৬৫ কোটি টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ করা হয়েছে, গত বছর যা ছিল ৬১.৩২ কোটি টাকা। এই বরাদ্দটি প্রধান বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টার কার্যালয় এবং জাতীয় গবেষণা ফাউন্ডেশনের প্রশাসনিক ব্যয় মেটানোর জন্য নির্ধারিত।
জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সচিবালয়ের খাতে বরাদ্দ কমেছে। ২০২৫-২৬ সালে যেখানে ২৭৯.৭৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল, এবার তা কমে হয়েছে ২৫৬.১৯ কোটি টাকা। এই বরাদ্দটি জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সচিবালয়ের প্রশাসনিক ব্যয় এবং মহাকাশ কর্মসূচির জন্য রাখা হয়।
সরকারি সফরে ভারতে আসা বিদেশি অতিথিদের আপ্যায়ন এবং আতিথেয়তা বাবদ ৫.৭৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ সালে এই বরাদ্দ ছিল ৬.২০ কোটি টাকা। এর মধ্যে উপরাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত সরকারি অনুষ্ঠান, জাতীয় দিবসের সংবর্ধনা, পদক প্রদান ইত্যাদি অনুষ্ঠানও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ক্যাবিনেট সচিবালয়কে তার প্রশাসনিক ব্যয় এবং National Authority for Chemical Weapons Convention (NACWC)-এর ব্যয় মেটানোর জন্য ৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, গত বছর ৭৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল।
বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে প্রাক্তন রাজ্যপালদের সচিবালয় সহায়তা খরচ খাতেও। এবছর ১.৫৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ সালে এই বরাদ্দ ছিল ১.৪০ কোটি টাকা।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন