

বিধানসভায় পরিষদীয় দল হাতছাড়া হবার পর এবার কি লোকসভাতেও বিদ্রোহী হতে চলেছেন তৃণমূল সাংসদরা? ইঙ্গিত কিন্তু তেমনই। এই মুহূর্তে লোকসভা এবং রাজ্যসভা মিলিয়ে তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা ৪১। লোকসভায় ২৮ এবং রাজ্যসভায় ১৩। যদিও দিনকয়েকের মধ্যেই এই ছবিটা আমূল বদলে যাবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কারণ ২০ জনের বেশি সাংসদ নাকি শিবির বদলানোর প্রস্তুই শুরু করে দিয়েছেন।
বিধানসভা নির্বাচনে ৮০ আসনে জয় পাওয়া সত্ত্বেও দলের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর ঠিক করে দেওয়া শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ও বিরোধী দলনেতা হতে পারেননি। বদলে বিরোধী দলনেতার পদ পেয়েছেন বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিই এখন রাজ্য বিধানসভায় বিদ্রোহী তৃণমূল শিবিরের নেতা। রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন দলের নাম এবং প্রতীক দুটোই হারাতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে লোকসভায় কী হতে চলেছে?
সূত্র অনুসারে, কমপক্ষে ১২ থেকে ১৩ জন সাংসদ বিজেপির সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। কিন্তু এই সংখ্যা আরও কিছুটা না বাড়লে দলত্যাগ বিরোধী আইনের মুখে পড়তে হবে। তাই আটঘাট বেঁধেই অন্য দিকে যেতে চাইছেন তৃণমূল সাংসদরা। সাংসদদের এই শিবির বদল হলে জোর ধাক্কা খেতে হবে বিরোধী শিবিরকেও। কারণ এখনও পর্যন্ত তৃণমূল সাংসদরা বিরোধী শিবিরের অন্তর্ভুক্ত। যদিও বহু ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তৃণমূল সাংসদদের বিরুদ্ধে ওয়াক আউট করে বেরিয়ে যাবার অভিযোগ আছে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন