তেলেঙ্গানা পুর নির্বাচনে বিআরএস-কে পিছনে ফেলে অনেক এগিয়ে কংগ্রেস। এই নির্বাচনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বিজেপি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রাজ্যের ১১৬টি পুরসভার মধ্যে ৯০টিতেই এগিয়ে আছে কংগ্রেস। বিআরএস এগিয়ে ১২টিতে এবং ১টি পুরসভায় এগিয়ে বিজেপি। বাকি পুরসভাগুলিতে কোনও পক্ষেরই সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
শুক্রবার সকাল থেকে গণনা শুরু হয়েছে তেলেঙ্গানা পুর নির্বাচনের। তেলেঙ্গানা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুসারে এখনও পর্যন্ত ফলাফলের গতি প্রকৃতি অনুসারে কংগ্রেস এগিয়ে আছে এবং জয়ী হয়েছে ১,৪৩৫ ওয়ার্ডে। বিআরএস জয়ী হয়েছে এবং এগিয়ে আছে ৭৩২ ওয়ার্ডে। বিজেপি জয়ী হয়েছে এবং এগিয়ে আছে ২৬৯ ওয়ার্ডে। মিম ৫০ ওয়ার্ডে, সিপিআইএম ১২ ওয়ার্ডে এবং ১৬৬ ওয়ার্ডে নির্দল প্রার্থীরা। এছাড়াও অন্যান্য রেজিস্ট্রিকৃত দলের ৫৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে এগিয়ে আছেন অথবা জয়ী হয়েছেন। গত ১১ ফেব্রুয়ারি ভোট হয়েছিল তেলেঙ্গানার ১১৬টি পুরসভা এবং ৭টি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে।
তেলেঙ্গানা নির্বাচন কমিশনের সূত্র অনুসারে, রাজ্যের ১১৬ টি পুরসভার ২,৫৮২ ওয়ার্ডে প্রার্থী সংখ্যা ১০,৭১৯ এবং ৭টি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের ৪১৪ ওয়ার্ডে প্রার্থী সংখ্যা ২,২২৫। গত পুর নির্বাচনে বিআরএস পেয়েছিল ১,৭৬৭ আসন, কংগ্রেস ৫৮০ আসনে এবং বিজেপি ৩১১ আসন। সেবার মিম পেয়েছিল ৯৩ আসন।
যে ৭ মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে নির্বাচন হয়েছে সেগুলি হল নালগোন্ডা (৪৮ আসন), মেহবুবনগর (৬০ আসন), কোঠাগুদেম (৬০ আসন, সিপিআই ২৯, কংগ্রেস ২২, বিআরএস ৮, বিজেপি ১), রামাগুন্ডাম (৬০ আসন, ৩৮ আসন পেয়ে জয়ী কংগ্রেস), নিজামাবাদ (৬০ আসন), মাঞ্চেরিয়াল (৬০ আসন, ৪৪ আসন পেয়ে জয়ী কংগ্রেস) এবং করিমনগর (৬৬ আসন)।
তাৎপর্যপূর্ণভাবে তেলেঙ্গানার কোঠাগুদেম মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে এগিয়ে আছে সিপিআই। ৬০ আসন বিশিষ্ট এই পুর কর্পোরেশনে এখনও পর্যন্ত সিপিআই জয়ী হয়েছে অথবা এগিয়ে আছে ২৯ আসনে, কংগ্রেস ২২ আসনে, বিআরএস ৮ আসনে এবং বিজেপি ১ আসনে।
যেসব পুরসভাতে কোনও দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি সেগুলির মধ্যে রয়েছে দেবরাকাদ্র, আলমপুর, কোহির, কেসামুদ্রম, আসিফবাদ, অমরাচিন্থা, কিথানপল্লী, জানগাঁও, জিন্নারাম, জাম্মিকুন্তা, ভেমুলাওয়াদা, রাইকাল, আইলাপুর (আলিয়াবাদ), গাদওয়াল এবং জহিরাবাদ।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন