

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন বনাম প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার প্রধানমন্ত্রীর তামিলনাড়ু সফরের পর দেশ ও রাজ্যের দুই শীর্ষ নেতার বক্তব্য, পাল্টা বক্তব্যে সরগরম রাজনৈতিক মহল। গতকাল তামিলনাড়ুর চেঙ্গালাপাট্টুর সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘তামিল সংস্কৃতির সব থেকে বড়ো শত্রু হল ডিএমকে।…এখানে এবার ডবল ইঞ্জিন সরকার হবে।” যার উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন জানান, “তামিলনাড়ুতে কখনই ডবল ইঞ্জিন সরকার হবে না।” “তামিলনাড়ু দিল্লির ঔদ্ধত্যের কাছে মাথা নত করবে না।”
রবিবার এক এক্স হ্যান্ডেল পোষ্টে ডিএমকে প্রধান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র উদ্দেশ্যে করে লেখেন, কবে আপনারা সমগ্র শিক্ষা স্কিমে তামিলনাড়ুর প্রাপ্য ৩,৪৫৮ কোটি টাকা দেবেন? ডিলিমিটেশনের পর তামিলনাড়ুতে লোকসভার আসন সংখ্যা যে কমবে না একথা আপনি কবে জানাবেন? এই রাজ্যের রাজ্যপাল পদে বিজেপির এজেন্ট হিসেবে যিনি বসে আছেন কবে তাঁর রাজত্ব শেষ হবে?
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পাল্টা তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকারের প্রধান বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে ডবল ইঞ্জিনের কথা বলছেন সেই ইঞ্জিন তামিলনাড়ুতে চলবে না…তামিলনাড়ু কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের সমস্ত বাধা অতিক্রম করে ঐতিহাসিক উন্নতির পথে এগিয়ে চলেছে।
তিনি আরও বলেন, “আপনি উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ এবং বিহারের মতো ডবল ইঞ্জিন যেসব রাজ্যের কথা বলছেন, তার চেয়ে বরং তামিলনাড়ু, কেরালা, তেলেঙ্গানা, কর্ণাটক এবং পশ্চিমবঙ্গ, যেখানে ডাবল ইঞ্জিন প্রবেশ করেনি, সেখানে বেশি উন্নয়ন হচ্ছে — ভেবে দেখুন।”
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পাল্টা হিসেবে এদিন এক এক্স বার্তায় এম কে স্ট্যালিন বলেন, বিজেপি শাসিত কেন্দ্র তামিলনাড়ুর সঙ্গে যে অবিচার করেছে তা রাজ্যের মানুষ কোনওদিন ভুলবে না।
গতকালের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তামিলনাড়ুর সরকারকে ‘সিএমসি সরকার’ (CMC Government) বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, ‘সি’ মানে দুর্নীতি, ‘এম’ মানে মাফিয়া, ‘সি’ অর্থ অপরাধ (C for Corruption, M for Mafia and C for Crime)।
গতকাল প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তামিলনাড়ু পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। তামিলানড়ু ডিএমকে-র অপশাসনের হাত থেকে মুক্তি চায়। আমরা তামিলনাড়ুকে এক নিরাপদ, দুর্নীতি মুক্ত রাজ্যে পরিণত করবো।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন