

এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) নতুন নির্দেশিকা। যে নির্দেশিকায় বলা হয়েছে এসআইআর হিয়ারিং-এ গ্রহণযোগ্য হবে না মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড। এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার কমিশনের পক্ষ থেকে সিইও দপ্তরে চিঠি পাঠিয়ে জানানো হয়েছে, মাধ্যমিক (দশম শ্রেণির) অ্যাডমিট কার্ড হিয়ারিং-এ স্বীকৃত নথি হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে না।
ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর (Special Intensive Revision - SIR) প্রক্রিয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এর আগে যে ১১টি নথির কথা উল্লেখ করা হয়েছিল তাতে মাধ্যমিক সার্টিফিকেটকে গ্রহণযোগ্য বলা হলেও অ্যাডমিট কার্ড ছিল না। এক্ষেত্রে যুক্তি ছিল সার্টিফিকেটে জন্ম তারিখ এবং সালের উল্লেখ আছে। পরে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকেও নথি হিসেবে যুক্ত করার আবেদন জানানো হয়। যে আবেদন মঞ্জুর করলো না নির্বাচন কমিশন।
প্রসঙ্গত, এনামুরেশন ফর্ম এবং আগের ভোটার তালিকায় থাকা তথ্যের মধ্যে তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে বহু ভোটারকে ডেকে পাঠানো হচ্ছে শুনানিতে। যাদের ১৩টি নির্দেশিত নথির কোনও একটা দেখাতে হবে। এসআইআর-এর জন্য কমিশনের পক্ষ থেকে যে ১৩ নথির কথা বলা হয়েছে তার মধ্যে আছে,
১) কেন্দ্রীয় সরকার বা রাজ্য সরকারের দেওয়া পরিচয়পত্র, পেনশন দেবার অর্ডার। ২) ১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগের নথি
৩) জন্মের শংসাপত্র
৪) পাসপোর্ট
৫) শিক্ষাগত শংসাপত্র
৬) স্থায়ী বাসিন্দা শংসাপত্র
৭) বনাধিকার শংসাপত্র
৮) জাতিগত শংসাপত্র
৯) জাতীয় নাগরিকপঞ্জিতে নাম
১০) বংশলতিকার শংসাপত্র
১১) সরকারের দেওয়া জমির নথি
১২) আধার কার্ড
১৩) বিহারের এসআইআর নথি।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন