

নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর লাঠিচার্জের ঘটনায় প্রশ্ন উঠলো সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণেও। সোমবার এই প্রসঙ্গিত মামলায় শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মত প্রতিবাদের অধিকার সংবিধান স্বীকৃত। শুধুমাত্র আন্দোলনের কারণে লাঠিচার্জ সমর্থনযোগ্য নয়।
সোমবার সুপ্রিম কোর্টে গত ২০ জুলাই আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ এনে একাধিক মামলার আবেদনের শুনানি হয়। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ শুনানির পরে তাদের পর্যবেক্ষণে একথা জানান।
লাইভ ল-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এই শুনানির পর মৌখিকভাবে জানিয়েছেন, ভারতীয় সংবিধানের অধীনে শান্তিপূর্ণ, আইনসম্মত প্রতিবাদের অধিকার সুনিশ্চিত। যদি কোনও শান্তিভঙ্গ হয়ে থাকে আলাদা করে তার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। শুধুমাত্র আন্দোলন বা বিক্ষোভ হচ্ছে বলেই লাঠিচার্জ করতে হবে এমনটা নয়। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য শৃঙ্খলা অবিচ্ছেদ্য।
গত ২০ জুলাই সিজেপি সহ অন্যান্য সংগঠনের ডাকে চলো সংসদ অভিযানের দিন আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশি লাঠিচার্জের অভিযোগ ওঠে। ওইদিনও আন্দোলনকারীদের ওপর কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়া হয় এবং পেলেট গান ব্যবহারেরও অভিযোগ উঠেছে। সরকারি হাসপাতাল সূত্রেই একাধিক আন্দোলনকারীর গায়ে ছররা গুলির আঘাতের প্রমাণ মিলেছে। নিরাপত্তা বাহিনীর এই ভূমিকা নিয়ে দেশ জুড়ে সমালোচনা চলছে। এই প্রসঙ্গেই এদিন প্রধান বিচারপতির মন্তব্য।
এদিন আদালত নিজেদের পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, পুলিশি বাড়াবাড়ির যে অভিযোগ উঠেছে তা স্বাধীনভাবে খতিয়ে দেখা উচিত। বিক্ষোভ মোকাবিলার ক্ষেত্রে পুলিশের জন্য সারা দেশে অভিন্ন কার্যপদ্ধতি চালু করার ওপরেও জোর দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন