ককরোচ জনতা পার্টির এই আন্দোলনে প্রথম থেকেই সমর্থন জানিয়েছে দেশের বিভিন্ন বিরোধী দল। বিরোধী দলের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত তরুণদের সমর্থনে এগিয়ে এসেছেন এবং অনেকেই পুলিশের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন। সোমবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
সোমবার ছাত্র যুবদের আন্দোলনে পুলিশি লাঠিচার্জের ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সিপিআইএম। দলের পলিটব্যুরোর পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ছাত্র-যুবদের দাবি মেনে অবিলম্বে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সরাতে হবে। বাতিল করতে হবে পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থা এনটিএ-কে। আজকের ঘটনায় যাদের আটক করে রাখা হয়েছে অবিলম্বে তাদের ছেড়ে দিতে হবে।
সিপিআইএম পলিটব্যুরো ওই বিবৃতিতে আরও জানিয়েছে, ককরোচ জনতা পার্টির ডাকে সংসদ অভিযানে বিপুল সাফল্য স্বৈরাচারী মোদী সরকারকে সঠিক জবাব।
যন্তর মন্তরে অনশন এবং সোমবারের পুলিশি নিপীড়ন সারা দেশে প্রতিবাদকে বাড়িয়ে তুলেছে। শিক্ষায় চরম অব্যবস্থা বা ভয়াবহ বেকারির জন্য দায়ী সরকার প্রতিবাদীদের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকার করেছে।
আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের প্রতিবাদ জানিয়ে এদিন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেন, এই ঘটনা “গণতন্ত্রের ওপর আঘাত”। নিজের ‘এক্স’ হ্যান্ডেলে (পূর্বতন ট্যুইটার) করা এক পোস্টে তিনি বলেন, সরকার যদি সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা পরিচালনা করতে না পারে, তবে তাদের ক্ষমতায় থাকার কোনো অধিকার নেই।
সংসদের অধিবেশনে যোগ দেওয়ার আগে সকালে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র আন্দোলনকারীদের সঙ্গে যোগ দেন। লাঠিচার্জের খবরের প্রসঙ্গ টেনে তিনি 'এক্স'-এ লেখেন — “যে সরকার অহিংস আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পাশবিক শক্তি প্রয়োগ করে আক্রমণ চালায়, সেই সরকারের পতন আসন্ন।”
সোমবারের ঘটনা প্রসঙ্গে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব আন্দোলনকারীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, দিল্লিতে সমবেত শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সম্মানজনক আচরণ করা উচিত। এদিনই সমাজবাদী পার্টির সাংসদ ডিম্পল যাদব যন্তর মন্তরের কাছে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন।
আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশি লাঠিচার্জ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরও। পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, “যখন একটি অহিংস আন্দোলন চলছে, তখন লাঠিচার্জের কারণ কী?”
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন