Maharashtra: জালনা পুরসভা ভোটে নির্দল প্রার্থী হিসেবে জয়ী গৌরী লঙ্কেশ হত্যাকান্ডে অভিযুক্ত
মহারাষ্ট্রের পুর নির্বাচনে জালনা পুরসভায় নির্দল প্রার্থী হিসেবে জয়ী হলেন গৌরী লঙ্কেশ হত্যাকান্ডে অভিযুক্ত শ্রীকান্ত পঙ্গরকর। এই পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে তিনি জয়ী হয়েছেন। এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী দিলেও, শিবসেনা একনাথ শিন্ধে গোষ্ঠী কোনও প্রার্থী দেয়নি। পঙ্গরকর ২,৬২১ ভোটে জয়ী হয়েছেন। পঙ্গরকরের জয় ঘোষিত হবার পরেই তাঁর সমর্থকরা উল্লাসে ফেটে পড়েন। যদিও এই ঘটনার পরেই বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে।
মহারাষ্ট্রে ২০২৪ বিধানসভা নির্বাচনের আগে তিনি শিবসেনা শিন্ধে গোষ্ঠীতে যোগ দিয়ে জালনা কেন্দ্রে প্রচারের মুখ্য দায়িত্ব পান। যদিও বিভিন্ন মহল থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়ার কারণে পরে একনাথ শিন্ধে তাঁর নিয়োগ বাতিল করেন। পঙ্গরকরের বাবা একজন সক্রিয় বিজেপি কর্মী।
এর আগে ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত পঙ্গরকর জালনা পুরসভার কাউন্সিলর ছিলেন। সেইসময় তিনি অবিভক্ত শিবসেনার সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ২০১১ সালে নির্বাচনে মনোনয়ন না পেয়ে তিনি দক্ষিণপন্থী সংগঠন জনজাগ্রুতি সমিতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। গৌরী লঙ্কেশের হত্যাকান্ড ছাড়াও ২০১৮ সালের আগস্ট মাসে তিনি মহারাষ্ট্র এটিএস-এর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে ইউএপিএ-তে মামলা হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বেঙ্গালুরুর রাজরাজেশ্বরী এলাকায় নিজের বাড়ির সামনে তিন আততায়ীর গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে যান বিশিষ্ট সাংবাদিক তথা সমাজকর্মী গৌরী লঙ্কেশ। উগ্র হিন্দুত্ববাদ, সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী লড়াইয়ে অগ্রণী ভূমিকা ছিল তাঁর। দক্ষিণপন্থী সংগঠন সনাতন সংস্থার সদস্যরা তাঁকে খুন করেছিল। তদন্তকারী স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম তাদের তদন্তের পর এই তথ্য প্রকাশ করে।
সিট জানায়, গৌরী লঙ্কেশের হত্যাকান্ড একটি সংগঠিত অপরাধ এবং তাঁকে হত্যা করার আগে পাঁচ বছর ধরে বেঙ্গালুরু, বেলগাঁও অঞ্চলে এর পরিকল্পনা করা হয়েছিলো। ঘটনায় ১৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। যার মধ্যে ১৭ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বাকি ১ জন বিকাশ পাতিল পলাতক। তাকে এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এই ঘটনায় নাম থাকা ১৭ জনেরই জামিন মঞ্জুর হয়েছে। গৌরী লঙ্কেশ হত্যার ঘটনায় অন্যান্য অভিযুক্তদের সঙ্গে নাম ছিল শ্রীকান্ত পঙ্গরকরেরও। যিনি ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর কর্ণাটক হাইকোর্ট থেকে জামিন পান। তিনি ২০১৮ সালে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।
SUPPORT PEOPLE'S REPORTER
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

