

মনোনয়ন দেয়নি দল। আর তার পরেই নিজের সমর্থকদের দিয়ে ধুন্ধুমার বাধিয়ে দিলেন মধ্যপ্রদেশের বিজেপি নেতা ও রাজ্যের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নরোত্তম মিশ্র। মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন এই মন্ত্রীকে উপনির্বাচনে মনোনয়ন দিতে অস্বীকার করার পরেই জাতীয় সড়ক অবরোধ করে তাঁর সমর্থকরা। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষেও জড়িয়ে পড়ে। আগামী ৩০ জুলাই মধ্যপ্রদেশের এই কেন্দ্রে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
গণ্ডগোলের সূত্রপাত মধ্যপ্রদেশের দাঁতিয়া কেন্দ্রের প্রার্থীপদ নিয়ে। দুর্নীতির অভিযোগে ওই কেন্দ্রের কংগ্রেস বিধায়কের বিধায়ক পদ খারিজ হয়ে যাওয়ার পর আগামী ৩০ জুলাই উপনির্বাচন হবার কথা। যে উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী করেছে আশুতোষ তিওয়ারীকে। আর দলের এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরেই ক্ষিপ্ত হয়ে পড়েন নরোত্তম মিশ্রের সমর্থকরা।
জানা যাচ্ছে, মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী ও বিজেপি নেতার অনুগামীরা প্রায় ১২ ঘণ্টা অবরোধ করে রাখে জাতীয় সড়ক। পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়ায়। এই ঘটনায় একাধিক পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। এই ঘটনায় নরোত্তম মিশ্রের বেশ কয়েকজন অনুগামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে এসপি ময়ূর খান্ডেলওয়াল জানিয়েছেন প্রায় ৩০০০ মানুষ দাঁতিয়া শহর জুড়ে তান্ডব চালায়। পুলিশ অবরোধ তুলে নিতে বললে তাঁদের ওপর পাথর ছুঁড়তে শুরু করে জনতা। যাতে কমপক্ষে ৬ পুলিশকর্মী ঘায়েল হয়েছেন।
সূত্র অনুসারে, দাঁতিয়া কেন্দ্রে আশুতোষ তিওয়ারীর নাম প্রার্থী হিসেবে ঘোষণার পর ওই জেলার সভাপতি সহ বেশ কয়েকজন বিজেপির কর্মকর্তা নিজেদের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন।
শনিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নরোত্তম মিশ্র জানিয়েছেন, তিনি দলের সিদ্ধান্তকে সম্মান করেন এবং তাঁর অনুগামীদের শান্ত হবার আবেদন জানিয়েছেন। দলের মধ্যে তিনি এই বিষয়ে কথা বলবেন। এভাবে পেট্রোল, কেরোসিন নিয়ে বিক্ষোভ দেখানো সঠিক নয়।
কে এই নরোত্তম মিশ্র?
২০০৮ থেকে এই কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক ছিলেন নরোত্তম মিশ্র। ২০২৩ নির্বাচনে তিনি কংগ্রেস প্রার্থী রাজেন্দ্র ভারতীর কাছে ৭,৭৪২ ভোটে পরাজিত হন। মধ্যপ্রদেশের রাজনীতিতে বিতর্কিত হিসেবেই পরিচিতি রাজ্যের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। অতীতেও তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। যদিও প্রতিবারই তিনি সেই অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন