

বেতন বৃদ্ধি, নির্মাণ শ্রমিকদের জন্য চিকিৎসা প্রকল্প সহ একাধিক দাবি নিয়ে ফের পথে নামলো সারা ভারত কৃষক সভা (AIKS) এবং সিআইটিইউ। মঙ্গলবার কৃষক ও শ্রমিকদের একাধিক দাবি নিয়ে রাজুর থেকে অহল্যানগর পর্যন্ত ১৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ পদযাত্রা শুরু হয়েছে। এই লং মার্চ আকোলে, সঙ্গমনার, লোনি হয়ে অহল্যানগর পৌঁছবে। এআইকেএস নেতা ডঃ অজিত নাভালে সংবাদমাধ্যমে একথা জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার রাজুরের আদিবাসী প্রকল্প অফিসে স্মারকলিপি জমা দিয়ে এই পদযাত্রার সূচনা হয়। শ্রমিক কৃষকদের এই লং মার্চে যোগ দিচ্ছেন মহারাষ্ট্রের কৃষক এবং শ্রমিক সংগঠনের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব। যাদের মধ্যে আছেন ডঃ অনিত নাভালে, নামদেব ভাঙড়ে, একনাথ মেঙ্গাল, তারাচাঁদ ভিঘে, সদাশিব সাবলে প্রমুখ।
লং মার্চ শুরুর আগে গত রবিবার আকোলে তহশিল অফিসে কৃষক ও শ্রমিক নেতৃত্বের সঙ্গে এক বৈঠকে বসেন অতিরিক্ত জেলা কালেক্টর বালাসাহেব কোলকার এবং স্থানীয় পুলিশ আধিকারিকরা। দীর্ঘ সময় ধরে চলা বৈঠকে জেলা প্রশাসন দাবিগুলির বিষয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানালেও দাবীর মধ্যে বেশ কিছু রাজ্যস্তরীয় দাবি থাকার কারণে তা নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে আলোচনা এবং আন্দোলন একই সঙ্গে চলবে।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে নাসিক, থানে, পালঘর এবং আকোলে থেকে লোনি পর্যন্ত লং মার্চের দাবির বাস্তবায়ন এবং নাসিক পুনে হাই স্পিড রেলপথের বাস্তবায়নের দাবিতে এই লং মার্চ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এছাড়াও অহল্যানগর জেলার বনভূমি এবং অনাবাদী জমি সংক্রান্ত বিষয়ে কৃষকদের দাবির পুনঃমূল্যায়ন, জমির রেজিস্ট্রি, অঙ্গনওয়াড়ী, আশা, গ্রাম পঞ্চায়েত এবং স্কুল পুষ্টি কর্মীদের বেতন বৃদ্ধি এবং তাঁদের সরকারি কর্মচারীর মর্যাদার দাবিও যুক্ত করা হয়েছে। লং মার্চ থেকে দাবি তোলা হয়েছে দরিদ্রদের কমপক্ষে ১০ হাজার টাকা দিতে হবে। এছাড়াও ভান্ডারদারা এলাকার আদিবাসী কৃষকদের সেচ ও পানীয়ের জন্য সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে জল সরবরাহ করার দাবিও জানানো হয়েছে।
লং মার্চ প্রসঙ্গে সিপিআইএম-এর পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “কৃষক ও শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য সারা ভারত কিষাণ সভা, সেন্টার অফ ইন্ডিয়ান ট্রেড ইউনিয়ন এবং অন্যান্য গণসংগঠন যৌথভাবে অহল্যানগর জেলার আকোল তালুকের রাজুর থেকে এক দীর্ঘ পদযাত্রার আয়োজন করছে। লং মার্চটি আকোল, সঙ্গমনের এবং লোনির মধ্য দিয়ে ১৪৮ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে অহল্যানগর জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়ে পৌঁছাবে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন