

দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (জেএনইউ)-এর ছাত্র সংসদ নির্বাচনে চারটির মধ্যে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদই দখলে রাখল বাম ছাত্রসংগঠনগুলি। অন্যদিকে একটি পদ পেয়েছে আর.এস.এ-এর ছাত্র সংগঠন এবিভিপি। প্রায় সাড়ে চার বছর পর অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই নির্বাচন।
গত শুক্রবার প্রায় ৭০ শতাংশ ভোটারের উপস্থিতির মধ্যে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট দেন প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার পড়ুয়া। রবিবার ভোট গণনা শেষে দেখা যায়, ছাত্র সংসদের সভাপতি, সহ-সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদ দখল করেছে বাম ছাত্রসংগঠন। যুগ্ম-সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছে এবিভিপি।
যুগ্ম সম্পাদক পদে এবিভিপির প্রার্থী বৈভব মীনা জয়ী হয়েছেন, যা সংগঠনের পক্ষে প্রায় এক দশক পরে বড় সাফল্য।
ছাত্র সংসদের সভাপতি পদে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (আইসা)-র প্রার্থী নীতীশ কুমার ১,৭০২ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এবিভিপির শিখা স্বরাজ ১,৪৩০ ভোট পান।
সহ-সভাপতি পদে ডেমোক্র্যাটিক স্টুডেন্টস ফেডারেশন (ডিএসএফ)-এর মনীষা ১,১৫০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন, যেখানে এবিভিপির নিতু গৌতম ১,১১৬ ভোট পেয়ে পরাজিত হন।
সাধারণ সম্পাদক পদেও ডিএসএফ-এর মুনতেহা ফাতিমা জয়ী হন, তাঁর প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা ১,৫২০। প্রতিদ্বন্দ্বী এবিভিপির কুণাল রাই পেয়েছেন ১,৪০৬ ভোট।
তবে বাম ছাত্রসংগঠনগুলি ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করলে ফলাফল আরও ভালো হত বলেই মনে করা হচ্ছে। নির্বাচনে আইসা ও ডিএসএফ একত্রে লড়লেও, এসএফআই, এআইএসএফ, বাপসা ও পিএসএ পৃথক জোট গঠন করে লড়েছে। অন্যদিকে, এবিভিপি একা লড়েই তুলনামূলক ভালো ফলাফল করেছে।
ফলাফল প্রকাশের পর আইসার পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘‘এবিভিপি যুগ্ম সম্পাদক পদে জয় পেলেও বামপন্থীরা জেএনইউতে নেতৃত্বের আসনে ফিরেছে।’’ অন্যদিকে এবিভিপি দাবি করেছে, ‘‘এই জয় জেএনইউতে বামেদের তথাকথিত ‘লাল দুর্গ’ ভেঙে দিয়ে ইতিহাস রচনা করেছে।’’
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন