

কেরালায় কংগ্রেসের নির্বাচনী পরিকল্পনার বৈঠকে যোগ দেবেন না কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর। রাজনৈতিক মহলের সূত্র অনুসারে, লোকসভার বিরোধী দলনেতা ও কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী তাঁর সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখে চলছেন। তাই তিনি এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন না। এর আগে এসআইআর নিয়ে কংগ্রেসের ডাকা এক বৈঠকেও যোগ দেননি শশী থারুর।
কেরালায় বিধানসভা নির্বাচনের পরিকল্পনা ও রূপরেখা তৈরির জন্য এই বৈঠকের ডাক দিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। এই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কেরালা কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ভি ডি সতীশন, কংগ্রেস কার্যকরী সমিতির সদস্য রমেশ চেন্নিথালা এবং শশী থারুরকে।
সূত্র অনুসারে, থিরুবনন্তপুরমের কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন না বলে ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন। কারণ হিসেবে তিনি জানিয়েছেন, গত ১৯ জানুয়ারি কোচিতে অনুষ্ঠিত কংগ্রেসের ‘মহাপঞ্চায়েতে’ রাহুল গান্ধী তাঁকে যথাযোগ্য সম্মান দেখাননি। এই ঘটনার ভিডিওতেও বিষয়টি লক্ষ্য করা গেছে। এরপরেই কংগ্রেসের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে না থাকবার সিদ্ধান্ত নেন শশী থারুর।
অন্য একটি সূত্র অনুসারে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কেরালায় কংগ্রেসের প্রার্থী হতে রাজি না হলেও শশী থারুর ঘনিষ্ঠ মহলে মুখ্যমন্ত্রী হবার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। যে বিষয়ে কংগ্রেস নেতৃত্ব মুখ খোলেনি। যাতে অসন্তুষ্ট হয়েছেন থারুর।
যদিও থারুরের অনুপস্থিতির বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা হবার আগেই এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন লোকসভায় কংগ্রেসের মুখ্য সচেতক কে সুরেশ। এই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের তিনি জানান, শশী থারুরের পূর্ব নির্ধারিত অনুষ্ঠান রয়েছে। যে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উপস্থিত থাকবেন। শশী থারুর বিষয়টি আগেই দলীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছেন। একইভাবে কেরালা কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফও পূর্ব নির্ধারিত কর্মসুচি থাকায় ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন।
তবুও কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে শশী থারুরের অনুপস্থিতি নিয়ে গুঞ্জন চলছেই। সাম্প্রতিক অতীতে বেশ কিছু ঘটনায় কংগ্রেস সাংসদ থারুরের সঙ্গে দলের দূরত্ব বেড়েছে। বিশেষ করে অপারেশান সিঁদুরের পর তাঁর মন্তব্য এবং একাধিক বিষয়ে দলের অবস্থানের বিরোধিতা করা, কংগ্রেসের বিরুদ্ধে পারিবারিক রাজনীতির অভিযোগ তোলায় তাঁর বক্তব্যে ক্ষুব্ধ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন