Kerala: রেল প্রকল্প নিয়ে CPIM-র সুরে সুর মেলাচ্ছেন শশী থারুর, শোকজ করল কংগ্রেস
দলের বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর তালিকা অনেক আগে থেকেই নাম ছিল তাঁর। এবার দলে অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন উঠে গেল কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরের। কেরলের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শশী থারুরকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দলের লাইন মানলে সাংসদ দলে থাকবেন। না মানলে থাকবেন না। এই মর্মে তিরুবনন্তপুরমের সাংসদকে শোকজ করা হয়েছে। উন্নয়নমূলক একটি প্রকল্প ঘিরে কেরলের কংগ্রেস তথা বিরোধী জোট ইউডিএফের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলাতেই তাঁর প্রতি ক্ষুব্ধ রাজ্যের কংগ্রেস নেতৃত্ব।
কেরলে বাম সরকার দক্ষিণের তিরুঅনন্তপুরম থেকে উত্তরের কাসারগোড় পর্যন্ত ৫২৯.৪৫ কিলোমিটার দ্রুতগামী রেল প্রকল্পের কাজ শুরু করতে চাইছে। প্রকল্পের দায়িত্বে আছে রেল ও রাজ্য সরকার মিলে গঠিত যৌথ সংস্থা ‘কেরালা রেল ডেভলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড’ (কে-রেল)। খরচ প্রায় এক লক্ষ কোটি টাকা। অর্থনীতি ও পরিবেশে প্রভাব পড়ার কারণ দেখিয়ে প্রকল্পের বিরোধিতা করছে কংগ্রেস ও ইউডিএফ।
কোথাও কোথাও স্থানীয়দের বিক্ষোভ প্রকাশ্যে এসেছে। কে-রেল প্রকল্পের বিরোধিতার কারণ দেখিয়ে সেরাজ্যের কংগ্রেস কেরলের মুখ্যমন্ত্রী ও দেশের প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়ার জন্য চিঠি তৈরি করে। কিন্তু থারুর সেই চিঠি সময় করে দেখে উঠতে পারেননি বলে জানালেও সংবাদমাধ্যমের নিজের কলমের লিখেছেন, রাজনীতিতে বিরোধিতা থাকবেই। কিন্তু ইউডিএফের বিরোধিতা ‘যুক্তিসঙ্গত’ নয়।
এদিকে, সম্প্রতি এক বেসরকারি অনুষ্ঠানে কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের সঙ্গে দেখা হলে কেরল সরকারের প্রশংসা করেন থারুর। স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টিকে মানতে পারেনি কংগ্রেস নেতৃত্ব। কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা থারুর এই কাজে যথেষ্ট অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল।
কেরলের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি কে সুধাকরন সাফ বলেছেন, "দলের লাইন মানলে তিনি দলে থাকবেন, নচেৎ নয়!" ব্যক্তিগত মত থাকলেও তা দলের সিদ্ধান্তকে অস্বীকার করে নয়। কেরলের বিরোধী দলনেতা ভি ডি সতীশনও বলেছেন, প্রদেশ সভাপতির বক্তব্যই শেষ কথা।
কেরলের মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ন বুঝিয়ে দিয়েছেন, বিরোধিতা থাকলেও তাঁরা প্রকল্প পিছোতে চান না। তাঁর বক্তব্য, ‘প্রাথমিক বিরোধিতা থাকলেও অনেক প্রকল্প কেরলে হয়েছে। কে-রেল প্রকল্প সম্পূর্ণ হতে অন্তত পাঁচ বছর লাগবে। এখন শুরু না করলে অনেক দেরি হয়ে যাবে।’ তাঁর সংযোজন, সব কাজ এখনকার জন্য নয়। কিছু কাজ পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও করে যাওয়া জরুরি।
SUPPORT PEOPLE'S REPORTER
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

