Farmers Protest: কৃষকদের বিক্ষোভ আন্দোলনের জের, হরিয়ানার ১১ গ্রামে বন্ধ মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা
কৃষকদের বিক্ষোভ আন্দোলনের জেরে সীমান্ত অঞ্চলের কমপক্ষে ১১টি গ্রামে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করলো হরিয়ানা সরকার। আগামী ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত আম্বালা জেলার এগারোটি গ্রামে মোবাইল ইন্টারনেট এবং বাল্ক এসএমএস পরিষেবার বন্ধ রাখা হয়েছে।
হরিয়ানা সরকার শুক্রবার টেলিযোগাযোগ আইন, ২০২৩ এর ধারা ২০-র অধীনে আম্বালা জেলার অন্তত ১০টি গ্রামে ৬ থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোবাইল ইন্টারনেট এবং বাল্ক এসএমএস পরিষেবা স্থগিত করেছে। অন্য একটি সূত্র অনুসারে অন্তত ১১টি গ্রামে ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত রাখা হয়েছে।
যে যে গ্রামে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে তার মধ্যে আছে ডাংডেহরি, লোগড়, মানকপুর, দাদিয়ানা, বারি ঘেল, লরস, কালু মাজরা, দেবীনগর, সাদ্দোপুর, সুলতানপুর এবং কাকরু। শুক্রবার দুপুর ১২টা থেকে আম্বালার এইসব অঞ্চলে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। আগামী ৯ ডিসেম্বর রাত ১১.৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই পরিষেবা বন্ধ থাকবে বলে হরিয়ানার প্রশাসনিক সূত্রে জানানো হয়েছে।
এদিনই ১০১টি কৃষক সংগঠনের ডাকে কৃষকদের দিল্লি অভিমুখী জাঠা শুরু হয়েছে। পাঞ্জাব এবং হরিয়ানা সীমান্তের শম্ভু অঞ্চল থেকে এই জাঠা শুরু হয়।
কৃষকদের দিল্লিমুখী এই জাঠা আটকাতে গতকাল থেকেই প্রশাসনিক তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মত। বিশেষ করে হরিয়ানার সীমান্ত অঞ্চলে ব্যাপক সংখ্যায় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়।
শুক্রবার সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা (অরাজনৈতিক) সহ একাধিক কৃষক সংগঠনের সদস্যরা শম্ভু সীমান্তে বাধা পেয়ে পুলিশি ব্যারিকেডের সামনে এসে বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের অনেকের হাতে জাতীয় পতাকা ছিল। পুলিশ এবং আধা সেনার উদ্দেশ্যে দিতে শুরু করেন তাঁরা। বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট এবং প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করার জন্য কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়েছে পুলিশ। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
চলতি সপ্তাহে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার সংসদ ভবন অভিযানে নেমেছে কৃষকরা। গত সোমবারের মিছিল নয়ডাতে আটকে দেওয়া হয়েছিল। ওই দিনও কৃষকদের বিক্ষোভ মিছিল আটকাতে ব্যাপক সংখ্যায় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল।
চলতি বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শম্ভু ও খানাউড়ি সীমান্তে অবস্থানে বসে আছেন কৃষকরা। ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিশ্চিত করা, কৃষি ঋণ মুকুব, কৃষকদের জন্য পেনশন, বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি না করা সহ একাধিক দাবিতে বার বার সরব হয়েছেন তাঁরা।
SUPPORT PEOPLE'S REPORTER
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

