

সারা দেশে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গত অর্থবছরের তুলনায় ৫.৭ শতাংশ বেশি জাল নোট শনাক্ত করা হয়েছে। শুক্রবার এই প্রসঙ্গে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ৫০০ টাকা এবং ২০০ টাকার নোট জালের সংখ্যায় ব্যাপক বৃদ্ধির ফলে এই ঘটনা ঘটেছে।
আরবিআই-এর বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুসারে, গত আর্থিক বছরে জাল নোট শনাক্ত করা হয়েছিল ২,১৭,৩৯৬টি। যা বর্তমান আর্থিক বছরে বেড়ে হয়েছে ২,২৯,৭৪৬। এরমধ্যে জাল ৫০০ টাকার নোট বেড়েছে ২০.৫ শতাংশ। ২০২৪-২৫ সালে যেখানে ১,১৭,৭২২টি জাল নোট শনাক্ত করা হয়েছিল সেখানে ২০২৫-২৬-এ জাল নোট শনাক্ত করা হয়েছে ১,৪১,৯০৭টি।
উল্লেখ্য, ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরে দেশে বাজেয়াপ্ত হওয়া মোট জাল নোটের ৩৮.৫% ছিল ৫০০ টাকার নোট। সংখ্যার বিচারে যা ৮৫,৭১১। ২০২৪-২৫ আর্থিক বছরে তা বেড়ে হয় ৫৪.২ শতাংশ বা ১,১৭,৬২২টি। বর্তমান আর্থিক বছরে সেই হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১.৮ শতাংশ বা ১,৪১,৯০৭টি।
আরবিআই জানিয়েছে, ২০০ টাকার নোটের ক্ষেত্রে গত আর্থিক বছরের তুলনায় এ বছরে জাল নোট শনাক্তকরণের সংখ্যা কমেছে। ২০২৪-২৫-এ যেখানে ৩২,৬৬০টি ২০০ টাকার জাল নোট শনাক্ত করা গেছিল ২০২৫-২৬-এ তা কমে হয়েছে ৩০,৫৯১। এছাড়া ১০০ টাকার নোটের ক্ষেত্রেও ৫১,০৬৯ থেকে এই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৪৫,৬২১-এ। ৫০ টাকার ক্ষেত্রে ১২,০১৫ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ১০,২৭৪-এ। বর্তমানে ২০০০ টাকার নোট প্রত্যাহার করে নেওয়া হলেও ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ৮২৪টি ২০০০ টাকার জাল নোট শনাক্ত করা হয়েছে। যা গত আর্থিক বছরে ছিল ৩,৫০৮টি।
আরবিআই জানিয়েছে, রিজার্ভ ব্যাঙ্কে জাল নোট শনাক্ত করা হয়েছে ৫,৪১২টি। আর দেশের অন্যান্য ব্যাঙ্ক জাল নোট শনাক্ত করেছে ২,২৪,৩৩৪টি। এই পরিসংখ্যানে পুলিশ এবং অন্যান্য তদন্তকারী সংস্থা যে জালনোট উদ্ধার করেছে তার হিসেব ধরা হয়নি বলেও জানানো হয়েছে।
এছাড়াও চলতি আর্থিক বছরে ৫০০, ১০০ এবং ২০ টাকার ময়লা নোট বাতিল করা হয়েছে। চলতি আর্থিক বছরে মোট ১.৭২ লক্ষ ময়লা বা খারাপ নোট বাতিল করা হয়েছে। যার মধ্যে ৫০০ টাকার নোট সবথেকে বেশি, ৫৯.৮ লক্ষ।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন