

বৃহস্পতিবার কেরালার ওয়াইনাডের সাংসদ হিসেবে সংসদে শপথ গ্রহণ করলেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা। দাদা রাহুল গান্ধীর পথ অনুসরণ করে সংবিধানের লাল-কালো মলাটের বই হাতে নিয়ে শপথ বাক্য পাঠ করেন তিনি। এদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাহুল গান্ধী এবং মা সোনিয়া গান্ধী।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টা নাগাদ শপথ নেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা। তার আগে সকালে কংগ্রেস সাংসদের বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন ওয়াইনাডের নবনির্বাচিত সাংসদ। আগেই সংসদ চত্বরে উপস্থিত হন কংগ্রেস সাংসদরা। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী পৌঁছোতেই স্লোগান দেওয়া হয় ‘প্রিয়াঙ্কা স্বাগতম’। গাড়ি থেকে নেমে দাদা তথা রায়বেরেলির সাংসদ রাহুল গান্ধী এবং মা তথা রাজস্থান থেকে রাজ্যসভার সাংসদ সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে সংসদের ভিতরে প্রবেশ করেন তিনি।
২০০৪ সালে মা এবং দাদার সঙ্গে ভোট প্রচারে অংশ নিলেও, সক্রিয় রাজনীতিতে প্রিয়াঙ্কা আনুষ্ঠানিক ভাবে আসেন ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে। সেই সময় তিনি ছিলেন পূর্ব উত্তরপ্রদেশের এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশের রায়বেরেলি এবং ওয়াইনাড – দুটি আসনেই বিপুল ব্যবধানে জেতেন রাহুল গান্ধী। ওয়াইনাড আসনটি ছেড়ে দেন। উপনির্বাচনে সেই আসনেই প্রার্থী হন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। ভোটের ফলাফলে দাদার থেকেও বেশী ব্যবধানে জয়ী হন তিনি। রাহুল গান্ধীর মার্জিন ছিল ৩ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২২। প্রিয়াঙ্কা জিতেছেন ৪ লক্ষ ১০ হাজারের বেশী ভোটে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন