

আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নতুন করে আক্রমণের পথে হাঁটলো কংগ্রেস। বুধবার কংগ্রেস সাংসদ জয়রাম রমেশ তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে (পূর্বতন ট্যুইটার) আদানি গোষ্ঠী সম্পর্কে নতুন করে বেশ কিছু প্রশ্ন তুলেছেন। এক্ষেত্রে তিনি অরগানাইজড ক্রাইম অ্যান্ড করাপশন রিপোর্টিং প্রজেক্ট (OCCRP)-এর রিপোর্ট উদ্ধৃত করে তাঁর অভিযোগ এনেছেন।
এদিন এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া বিবৃতিতে রমেশ দাবি করেন, বেনামি তহবিল ব্যবহার করে আদানি গোষ্ঠীতে বড় অংশীদারিত্ব তৈরি করা হয়েছে এবং এ নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। তিনি আরও বলেন, ওসিসিআরপি যে প্রমাণ পেয়েছে, তার মধ্যে আছে সুইস ব্যাংকে চ্যাং চুং লিং এবং নাসের আলি শাবান আহালির স্বীকারোক্তি, যে দুজনের আদানি কোম্পানিতে আগের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি শেয়ার ছিল - যার মধ্যে রয়েছে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন হেজ ফান্ডের (Hedge Funds) মাধ্যমে আদানির স্টকে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার।
সেবি-র তদন্তের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে কংগ্রেস সাংসদ বলেন, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়া (Securities and Exchange Board of India – SEBI) আদানি গোষ্ঠীকে ঘিরে মোট ২৪টি বিষয়ে তদন্ত শুরু করলেও ২২টিতে চোখে পড়ার মতো অগ্রগতি নেই। এই তদন্তের মধ্যে আছে—
সংস্থার ভেতরের লেনদেন নিয়ে অভিযোগ
ন্যূনতম পাবলিক শেয়ারহোল্ডিং নিয়ম ভাঙার অভিযোগ
২০২৩ সালের ২৫ অগস্ট সুপ্রিম কোর্ট অফ ইন্ডিয়া-তে (Supreme Court of India) জানানো ১৩টি সন্দেহজনক লেনদেন
শেল কোম্পানির মাধ্যমে ২০ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ
জয়রাম রমেশ দাবি করেন, ২০২৩ সালের ২ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট দু’মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার কথা বললেও তা এখনও শেষ হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে ব্রিসবেনে জি-২০ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অর্থনৈতিক অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের কথা জানালেও আদানি গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত তার কোনও প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না।
আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নতুন করে আক্রমণের পথে হাঁটলো কংগ্রেস। বুধবার কংগ্রেস সাংসদ জয়রাম রমেশ তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে (পূর্বতন ট্যুইটার) আদানি গোষ্ঠী সম্পর্কে নতুন করে বেশ কিছু প্রশ্ন তুলেছেন। এক্ষেত্রে তিনি অরগানাইজড ক্রাইম অ্যান্ড করাপশন রিপোর্টিং প্রজেক্ট (OCCRP)-এর রিপোর্ট উদ্ধৃত করে তাঁর অভিযোগ এনেছেন।
এদিন এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া বিবৃতিতে রমেশ দাবি করেন, বেনামি তহবিল ব্যবহার করে আদানি গোষ্ঠীতে বড় অংশীদারিত্ব তৈরি করা হয়েছে এবং এ নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। তিনি আরও বলেন, ওসিসিআরপি যে প্রমাণ পেয়েছে, তার মধ্যে আছে সুইস ব্যাংকে চ্যাং চুং লিং এবং নাসের আলি শাবান আহালির স্বীকারোক্তি, যে দুজনের আদানি কোম্পানিতে আগের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি শেয়ার ছিল - যার মধ্যে রয়েছে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন হেজ ফান্ডের (Hedge Funds) মাধ্যমে আদানির স্টকে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার।
সেবি-র তদন্তের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে কংগ্রেস সাংসদ বলেন, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়া (Securities and Exchange Board of India – SEBI) আদানি গোষ্ঠীকে ঘিরে মোট ২৪টি বিষয়ে তদন্ত শুরু করলেও ২২টিতে চোখে পড়ার মতো অগ্রগতি নেই। এই তদন্তের মধ্যে আছে—
সংস্থার ভেতরের লেনদেন নিয়ে অভিযোগ
ন্যূনতম পাবলিক শেয়ারহোল্ডিং নিয়ম ভাঙার অভিযোগ
২০২৩ সালের ২৫ অগস্ট সুপ্রিম কোর্ট অফ ইন্ডিয়া-তে (Supreme Court of India) জানানো ১৩টি সন্দেহজনক লেনদেন
শেল কোম্পানির মাধ্যমে ২০ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ
জয়রাম রমেশ দাবি করেন, ২০২৩ সালের ২ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট দু’মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার কথা বললেও তা এখনও শেষ হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে ব্রিসবেনে জি-২০ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অর্থনৈতিক অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের কথা জানালেও আদানি গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত তার কোনও প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না।
কংগ্রেস (Indian National Congress) আগেই “হাম আদানি কে হ্যায় কৌন” নামক একাধিক প্রশ্নের সিরিজ প্রকাশ করেছিল বলে জানিয়েছেন জয়রাম রমেশ। কংগ্রেসের আনা অভিযোগগুলির মধ্যে আছে—
ইডি, সিবিআই এবং আয়কর সংস্থার মতো সংস্থাকে ব্যবহার করে গুরুত্বপূর্ণ খাতে চাপ তৈরি করা
বিমানবন্দর ও বন্দর খাতে একচেটিয়া প্রভাব বাড়ানো
বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা-সহ বিভিন্ন দেশে চুক্তি পাইয়ে দিতে সরকারি প্রভাব খাটানো
কয়লা আমদানিতে অতিরিক্ত বিল দেখানো এবং টাকা পাচারের অভিযোগ, যেখানে ১২ হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে।
সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে ঘুষের অভিযোগ, যেখানে ২০০০ কোটি ডলার ঘুষের মামলায় গৌতম আদানি-র নাম জড়িয়েছে বলে দাবি
রমেশ জানান, এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য যৌথ সংসদীয় কমিটি (জেপিসি) গঠন করা দরকার। তাঁর অভিযোগ, সরকার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না।
যদিও আদানি গোষ্ঠী অতীতে এ ধরনের সব অভিযোগই অস্বীকার করেছে। সর্বশেষ এই অভিযোগের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত সংস্থার তরফে তাৎক্ষণিক কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও এর আগে আদানি গ্রুপের সাথে তাঁর জড়িত থাকা সংক্রান্ত বিরোধীদের আনা অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছে, আইন অনুযায়ী তদন্ত চলছে। যদিও কংগ্রেসের দাবি, তারা সংসদীয় তদন্তের জন্য চাপ অব্যাহত রাখবে। কংগ্রেসের দাবি, বিষয়টি জনস্বার্থ ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার জবাবদিহির সঙ্গে জড়িত।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন