বেশ কড়া ভাষাতেই তাঁর বিরুদ্ধে করা আরটিআই-এর জবাব দিলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে গুজরাটের এক ব্যক্তি একটি আরটিআই করে তাঁর পড়াশুনোর খরচ সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। সুরাতের জনৈক ব্যক্তি আরটিআই অ্যাক্ট অনুসারে তদন্তের দাবি তুলেছিলেন। এর জবাবে তথ্যসহ কড়া ভাষায় উত্তর দিলেন অভিজিৎ দীপকে।
সম্প্রতি ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন এবং তার জেরে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা দিতে বাধ্য হওয়ার পরে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসেন সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। এর পরেই গুজরাটের এক ব্যক্তি আরটিআই করেন এবং কীভাবে এক সাধারণ পরিবারের ছেলে হয়েও অভিজিৎ দীপকে বিদেশে পড়াশুনো করেছেন এবং তাঁর পরিবার কীভাবে সেই খরচ যুগিয়েছে সেই বিষয়ে জানতে চান।
আরটিআইকারীর বক্তব্য ছিল, অভিজিৎ দীপকের বাবা মহারাষ্ট্র শিল্পোন্নয়ন নিগমে একজন জুনিয়র ইঞ্জিনিয়র হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি সামান্য বেতনে কীভাবে ছেলের বিদেশে পড়াশুনোর খরচ জোগালেন? এর পাশাপাশি তিনি অভিজিৎ দীপকের বাবার সম্পত্তি নিয়েও তদন্তের দাবি জানান। তিনি নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্রীয় জিএসটি কর্তৃপক্ষের কাছে সিজেপির তহবিল, নথিভুক্তিকরণের বিষয়েও জানতে চান।
এর উত্তরে সাংবাদিক বরখা দত্তকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিজিৎ দীপকে জানান, তিনি আমেরিকার বস্টন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্কলারশিপ পেয়ে নিজের পড়াশুনো চালিয়েছিলেন। বাকি টাকার জন্য তিনি এডুকেশন লোন নেন এবং বর্তমানে তিনি তা শোধ করছেন। নিজের বক্তব্যের সমর্থনে বেশ কিছু নথিও তিনি প্রকাশ করেছেন। যেখানে তাঁর বস্টন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্কলারশিপ পাওয়ার নথিও আছে।
সম্প্রতি সিজেপি-কে আইনজীবী ও সাংসদ কপিল সিব্বাল ১ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন। সেই অনুদান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ওই ব্যক্তি। তাঁর আরও দাবি, দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপি ও অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে অবস্থান আন্দোলন চলার সময় বহু মানুষ জল খাবার দিয়েছেন পরিচয় গোপন রাখার শর্তে। তারাই বা কারা যারা এভাবে আন্দোলনকে সাহায্য করেছেন।
আরটিআই কর্মীকে অভিজিৎ দীপকের জবাবের পরেই এই বিষয়ে মুখ খুলেছে সিজেপিও। সিজেপি মুখপাত্র বৈষ্ণবী গৌড় এক্স হ্যান্ডেলে (পূর্বতন ট্যুইটার) এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, যারা একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আরটিআই করে যাচ্ছেন তাঁদের পিএম কেয়ারস ফান্ডের বিষয়টিও দেখা উচিত। মোদীজী আপনাদের ক্ষমতা করে দেবেন। ভয় পাবেন না।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন