

দুই রাজ্য এবং এক কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে আজ বিধানসভা নির্বাচন। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য অসম, দক্ষিণ ভারতের রাজ্য কেরল এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে ভোটগ্রহণ চলছে। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ।
অসমে বিধানসভা আসনের সংখ্যা ১২৬। ৭২২ জন প্রার্থী রয়েছেন ভোটের ময়দানে। কেরলে ১৪০ আসনের জন্য লড়াইয়ে আছেন মোট ৮৯০ জন প্রার্থী। পুদুচেরিতে ৩০ আসনে ভোট, মোট প্রার্থী ২৯৪ জন।
কেরালায় গত দশ বছর ধরে সরকারে রয়েছে সিপিআইএম নেতৃত্বাধীন বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট। তৃতীয়বার সরকার গড়তে মরিয়া তারা। কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন ধর্মদম কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেকে শৈলজা (পেরাভুর, সিপিএম), প্রাক্তন মন্ত্রী রমেশ চেন্নিথালা (হরিপড়, কংগ্রেস), প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর (নেমোম, বিজেপি)।
কেরালায় ভোটারের সংখ্যা ২ কোটি ৭৮ লক্ষের বেশি। তার মধ্যে ১ কোটি ৪৩ লক্ষের বেশি মহিলা ভোটার। থার্ড জেন্ডার হিসেবে নথিভুক্ত ৩৬০ জন।
অসমে নজরকারা প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন – বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (জালুকবাড়ি, বিজেপি), লোকসভায় কংগ্রেসের সহকারী নেতা গৌরব গগৈ (জোরহাট, কংগ্রেস), সিএএ বিরোধী আন্দোলনের নেতা অখিল গগৈ (শিবসাগর, রাইজর দল)।
ভোটের আগে সব রাজ্যের ভোটারদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সমস্ত ভোটারকে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
কেরলে তৃতীয়বার সরকার গড়া নিয়ে আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। ভোটদানের পর সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, “গত ১০ বছর ধরে বামেরা কেরলের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। এই যাত্রা চলবে। সরকার এবং মানুষের মধ্যে আস্থা এবং বোঝাপড়া আরও সুদৃঢ় হবে।”
অন্যদিকে ভোট দেওয়ার আগে নিজের বাড়িতে পূজায় বসেছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তিনি নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পুজোর একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে তিনি লেখেন, “ঈশ্বরের আশীর্বাদে এবং মানুষের আস্থায় আমরা অসমের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বেলা ১১টা পর্যন্ত অসমে ৩৮.৯২ শতাংশ, কেরলে ৩৩.২৮ শতাংশ এবং পুদুচেরিতে ৩৭.০৬ শতাংশ ভোট পড়েছে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন